স্বাগতম স্বপনীল ভুবনে

About

Wellcome To Visit My Website..Thank You..!

Sunday, 13 October 2019

আপনি সন্ত্রাসীর জননী। শেখ হাসিনা কে বললেন ছাত্র ইউনিয়ন I সময়ের সাহসী বক্তব্য। ছাত্র ইউনিয়নের পক্ষেই সম্ভব।

আপনি সন্ত্রাসীর জননী। শেখ হাসিনা কে বললেন ছাত্রদল
সময়ের সাহসী বক্তব্য। ছাত্র ইউনিয়নের পক্ষেই সম্ভব।

Saturday, 12 October 2019

র‍্যাব পরিচয় দেয়ার পরও নির্যাতন চালায় ভারতীয়রা!

নিজেদের পরিচয় দেয়ার পরেও র‌্যাব ১১ সিপিসি-২ কুমিল্লার ৩ সদস্য ও ২ সোর্সকে ধরে নিয়ে যায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। ভারতীয়দের দ্বারা ব্যাপক নি’র্যাতনের শিকার হয় তারা।চরম উদ্বেগ-উৎকন্ঠার মাঝে কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার আশাবাড়ি সীমান্ত থেকে তাদের ধরে নিয়ে যাওয়ার ১০ ঘন্টা পর গুরতর আহত অবস্থায় ফেরত দেয় বিএসএফ।

বৃহস্পতিবার সকাল আনুমানিক সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার আশাবাড়ি সীমান্তের ২০৫৯নং পিলারের ১০ নম্বর গেট এলাকা থেকে তাদের ধরে নিয়ে যায় বিএসএফ।পরে বিকাল ৫টায় ৬০ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) উর্দ্বতন কর্মকর্তা ও বিএসএফের মধ্যে এক ঘণ্টা পতাকা বৈঠকের পর আটক ৩ র‌্যাব সদস্য ও ২ নারী সোর্সকে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়।

Friday, 11 October 2019

আইনজীবী জানেন না 'বুলেট' নাকি 'বুয়েট' (ভিডিও)



বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম থেকে বহিষ্কৃত হয়েছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার এক আসামি পক্ষের আইনজীবী মোর্শেদা খাতুন শিল্পী।
মঙ্গলবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। আবরার হত্যা মামলার আসামি মুজাহিদুলের পক্ষে আইনি লড়াইয়ে তিনি অংশ নিয়েছেন। মোজাহিদুল রহমান ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বা ইইই বিভাগ, ১৬তম ব্যাচ ও বুয়েট ছাত্রলীগ সদস্য।
আদালত থেকে বেরিয়ে মোর্শেদা বলেন, 'আমার সাবমিশন ছিল যে আমার মুজাহিদ নির্দোষ একটা ছেলে ছিল। সেও বুলেটের এবং ব্রিলিয়ান্ট ছাত্র ছিল।'
সোশ্যাল মিডিয়ায় এই আইনজীবীকে নিয়ে তুমুল সমালোচনা চলছে। নেটিজেনরা বলছেন যিনি বুয়েটকে বুলেট বলেন তিনি কীভাবে আইনজীবী হন। আসামি পক্ষের আইনজীবীদের বিরুদ্ধে আরো একটি অভিযোগ করছেন নেটিজেনরা- আইনজীবীরা নাকি আদালতে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন আবরারের শরীরে পেটানোর দাগ ছিল নাকি চর্ম রোগ ছিল সেটাও যাচাই করে দেখা দরকার।'   
তবে আবরার হত্যা মামলার আসামিদের একজনের পক্ষে আইনি লড়াইয়ে অংশ নেয়ার কারণে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে কি না সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলা হয়নি বিজ্ঞপ্তিতে।
রুহুল কবীর রিজভী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘সংগঠন বিরোধী তৎপরতার জন্য বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট মোর্শেদা খাতুন শিল্পীকে সংগঠনের সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এখন থেকে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাংগঠনিক কার্যক্রমের সাথে অ্যাডভোকেট মোর্শেদা খাতুন শিল্পীর কোনো সম্পর্ক থাকবে না।’
জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের ১৭৯ সদস্যের নতুন কমিটিতে সদস্য হয়েছিলেন অ্যাডভোকেট মোর্শেদা খাতুন। এ কমিটি ঘোষণার পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের কথা রয়েছে। কিন্তু তার অনেক আগেই বহিষ্কৃত হলেন অ্যাডভোকেট মোর্শেদা খাতুন শিল্পী।
চলতি মাসের ৪ তারিখে সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেনকে আহ্বায়ক এবং বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমানকে সদস্য সচিব করে এ ফোরাম গঠিত হয়।

ছাত্রলীগ পালানোর পথ পাবে না: ভিপি নুর


বাংলাদেশের ছাত্রসমাজ ক্ষেপে গেলে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা পালানোর পথ পাবে না বলে মন্তব্য করেছেন ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুর।
সোমবার আবরার ফাহাদ হত্যার প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন।
বর্তমানে প্রত্যেকটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে দলদাস প্রশাসনের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ে একটা ভয়ার্ত পরিবেশ কায়েম করা হয়েছে মন্তব্য করে ভিপি নুর বলেন, ছাত্রলীগ সাধারণ শিক্ষার্থীদের হলে জিম্মি করে রেখেছে। প্রতিটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যে হল রয়েছে সেখানে নিয়ম অনুযায়ী প্রশাসনের সিট দেয়া কথা। কিন্তু আজ যদি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে তাকান, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়েদের হলগুলোতে দুইভাবে সিট দেয়া হয়, প্রশাসনিক ও রাজনৈতিকভাবে।
‘ছেলেদের বিজয় একাত্তর হল ব্যতীত অন্য হলগুলোতে ছাত্রলীগ শিক্ষার্থীদের হলে থাকতে দিয়ে তাদের দিয়ে প্রোগ্রাম মিছিল-মিটিং করায়। যদি কেউ মিছিল-মিটিং না করেন তাদের হলে থাকতে দেয় না। বিশ্ববিদ্যালয়ের দলকানা প্রশাসন ক্ষমতাসীন ছাত্র সংগঠনের এ সব অপকর্মের অন্যতম সহযোগী হিসেবে ভূমিকা পালন করছে বলেও মন্তব্য করেন কোটা আন্দোলনের এই নেতা।
এ সময় ছাত্রলীগের মধ্যে যারা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে অতি দ্রুত ব্যবস্থা নিতে আওয়ামী লীগ শীর্ষ নেতাদের প্রতি আহ্বান জানান নুর। তিনি বলেন, অন্যথায় বাংলাদেশের ছাত্রসমাজ ক্ষেপে গেলে পালানোর রাস্তা পাবে না ছাত্রলীগ।

রামদা হাতে বর্তমান ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের ছবি ভাইরাল


রামদা হাতের এই ছেলেটাকে চিনেন?

বর্তমান ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য। এরা আবার কোন মুখে বলে ছাত্রলীগে সন্ত্রাস নাই। সন্ত্রাস ছাড়া ছাত্রলীগ হতে পারেনা।সন্ত্রাসের অপর নাম ছাত্রলীগের আর মাফিয়ালীগের অপর নাম আওয়ামীলীগ।
বর্তমান গণতন্ত্রের নামই হচ্ছে মাফিয়াতন্ত্র !

Thursday, 10 October 2019

পু’লিশের পি’টু’নিতে না’রী শ্র’মিকের গ’র্ভপা’ত

গাজীপুরের শ্রীপুরে ও’য়েলটেক্স কা’রখানার শ্র’মিকদের দুই মাসের ব’কেয়া বে’তন ভা’তার দা’বিতে ঢাকা-ম’য়মনসিংহ ম’হাসড়ক অ’বরোধ ক’রার ঘ’টনায় ‘শ্রমিক-পু’লিশ সং’ঘর্ষে পু’লিশের লা’ঠিচা’র্জে আ’হত পাঁচজনের মধ্যে আকলিমা (২৫) নামে এক না’রী শ্র’মিকের গ’র্ভপা’ত হয়েছে। আকলিমা শ্রীপুরের ও’য়েলটেক্স গ্রুপের আদিব ডায়িং কা’রখানার অ’পারেটর। তার কা’রখানা পরিচয়পত্র নম্বর ২০৪৬১।
আকলিমা যোগফলকে জানিয়েছেন, ‘ওইদিন আমি রাস্তার পাশে দাঁ’ড়িয়ে থাকার সময় পু’লিশ আ’মাকে পে’টের এ’কপাশে লা’ঠি দি’য়ে আ’ঘাত করে। আমি প্র’তিবাদ করলেও পু’লিশ ক’র্ণপাত না করে আ’মাকে পে’টা’তে থাকে। পরে নি’জেকে বাঁ’চাতে কোনো রকমে ঘ’টনাস্থল ত্যা’গ করার চে’ষ্টা করি। কিছু সময়ের মধ্যেই পু’লিশ টি’য়ারশেল গ্যা’স ছাড়ে, গ্যা’সে দ’ম ব’ন্ধ হয়ে আসছিল।’
পরদিন সকাল থেকেই প্র’চুর প’রিমাণ র’ক্তক্ষ’রণের ফ’লে গ’র্ভে থাকা বা’চ্চাটা মা’রা যা’য়। গত ২৭ আ’গস্ট আ’ল্টাসনোগ্রাফি রি’পোর্টে দেখা যায় বা’চ্চাটি সু’স্থ আছে। পু’লিশ আমাকে মা’রার প’র থেকেই আমার বা’চ্চাটি গ’র্ভের ভে’তর মা’রা যা’য়।
কা’রখানা কর্তৃপক্ষ আকলিমাকে চি’কিৎসার জন্য ৮ হাজার টাকা দিয়েছে বলে আকলিমার স্বামী জাহাঙ্গীর হোসেন যোগফলকে জানিয়েছেন। জাহাঙ্গীরও একই কা’রখানার শ্র’মিক।
প্রসঙ্গত, গত বৃহষ্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) উপজেলার মুলাইদ এলাকায় দুপুর একটার দিকে শ্র’মিকদের ম’হাসড়ক অ’বরোধ ক’রার জে’রে একজন পু’লিশসহ মোট ছয়জন আ’হত হয়েছিল। এতে আড়াই ঘণ্টা যা’ন চ’লাচল ব’ন্ধ ছিল। এ ঘটনায় একজন পু’লিশসহ মোট ছয়জন আ’হত হয়েছে।
সূত্রঃ যোগফল

Thursday, 21 February 2019

‘আব্বা, এনামুল পুইড়া মইরা গেছে’


ঢাকা মেডিকেলের মর্গের সামনে স্বজনদের আহাজারি।ঢাকা মেডিকেলের মর্গের সামনে স্বজনদের আহাজারি।রাজধানীর চকবাজার এলাকায় রাজ্জাক ভবনে লাগা আগুনের ঘটনায় নিহত মানুষের সংখ্যা বেড়েই চলছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে লাশ আসছে। হাসপাতালে মানুষের ভিড়। স্বজনের আহাজারিতে পরিবেশ ভারী। কেউ ডুকরে কাঁদছেন। কেউ স্বজনকে জড়িয়ে ধরে কাঁদছেন। একজন আরেকজনকে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গের চিত্র এমনই হৃদয়বিদারক। লাশের সংখ্যা বাড়ছে, আর মানুষের কান্নায় পরিবেশ ভারী হয়ে উঠছে পরিবেশ।
তুহিন নামের একজন কেঁদে মোবাইল ফোনে বলছে, ‘আব্বা, আমি তুহিন, এনামুল পুইড়া মইরা গেছে। আমি আর রাজীব খুঁইজ্যা খুঁইজ্যা ঢাকা মেডিকেল মেডিকেল এসে তাঁকে খুঁইজ্যা পাইছি।’
পুরান ঢাকার চকবাজারে রাজ্জাক ভবনে লাগা আগুনে হারিয়েছেন স্বজনকে। ছবি: শুভ্র কান্তি দাশপুরান ঢাকার চকবাজারে রাজ্জাক ভবনে লাগা আগুনে হারিয়েছেন স্বজনকে। ছবি: শুভ্র কান্তি দাশএনামুলের পুরা নাম কাজী এনামুল হক অভি। তিনি ঢাকা সিটি কলেজ থেকে বিবিএ পড়েছেন। রূপালী ইনস্যুরেন্সে ইউনিট ম্যানেজার হিসেবে কাজ শুরু করেছিলেন। এনামুলের বাড়ি পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ। তিনি ওই এলাকায় থাকতেন। রাতে দাঁতের চিকিৎসা করাতে গিয়েছিলেন। তুহিন, কাজী আর নিহত এনামুল সমবয়সী। সম্পর্কে তুহিনের ভাতিজা এনামুল।
ঢাকা মেডিকেলের মর্গের সামনে স্বজনদের আহাজারি।ঢাকা মেডিকেলের মর্গের সামনে স্বজনদের আহাজারি।ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক (ডেপুটি অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর) মো. তারেক হাসান ভুঁইয়া বলেন, এখন পর্যন্ত ঢাকা মেডিকেলে ৬৫ জনের লাশ এসেছে। এর মধ্যে ৫৭ জন পুরুষ, ৫ জন নারী ও ৩টি শিশুর লাশ। লাশগুলো শনাক্তের সুবিধার্থে নম্বর দিয়ে রাখা হচ্ছে। স্বজনেরা এসে শনাক্ত করতে পারলে তাঁদের নম্বরগুলো জানানো হচ্ছে।
অগ্নিকাণ্ডে নিহত সিদ্দিকুল্লাহ চকবাজারে কসমেটিকসের ব্যবসা করতেন। তাঁর বাড়ি নোয়াখালীর সোনাইমুড়িতে। তিনি গতকাল রাতে বাড়িতে যাওয়ার জন্য রওনা হয়েছিলেন। কিন্তু তাঁর আর বাড়িতে যাওয়া হয়নি। তিনি একটি হোটেলে খেতে বসেছিলেন। আগুন লাগায় আর বেরোতে পারেননি। তাঁর ছেলে মোহাম্মদ বাবু (২০) মেডিকেলের সামনে বসে বিলাপ করছিলেন।
ঢাকা মেডিকেলের মর্গের সামনে স্বজনদের আহাজারি।ঢাকা মেডিকেলের মর্গের সামনে স্বজনদের আহাজারি।হাসপাতালে সামনে ডুকরে কাঁদতে দেখা যায় জরিনা বেগমকে। তাঁর দুই ভাই মোহাম্মদ আলী ও অপু। মোহাম্মদ আলীর তিন বছরের ছেলে আরাফাত পুড়ে মারা গেছে। ঘটনার সময় তাঁরা রাস্তার ওপর দাঁড়িয়ে ছিলেন।
একটি মসলা কোম্পানিতে কাজ করতে মো. জুম্মন। তাঁর দুই ছেলে রাশেদ ও রাব্বী। হাসপাতালের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন। রাশেদ কাঁদতে কাঁদতে বলেন, এতগুলো মানুষ পুড়ে মারা গেল। এটা সহ্য করার মতো নয়।

Wednesday, 23 May 2018

কাবাঘরের ইমামের চাইতেও কি আমাদের দেশের কিছু কিছু আলেমেরা বেশী জ্ঞানী হয়ে গেলো নাকী?

https://shopnilbubon.blogspot.my/

https://shopnilbubon.blogspot.my/
কাজী নজরুল ইসলাম রুটি বিক্রি করে যে কবিতা লিখেছেন,তা বড় বড় ভার্সিটির শিক্ষকদের পড়তে দাঁত ভাঙার দশা। আশ্চর্য! এখন যদি কোন ভার্সিটির শিক্ষক বলে কাজী নজরুলের চেয়ে তার শিক্ষাগত যোগ্যতা বেশি... অতএব সে বড়। কত বড় মুর্খ সে?
ঈমাম আবু হানিফা র: কাপড়ের ব্যবসায়ী ছিলেন। ফিকাহ শাস্ত্রে তার যে অবদান, তা বর্তমান জামানার 
এক হাজার মুফতি কি করতে পারবে?
আল্লামা নাসিরুদ্দিন আলবানী ঘড়ির মেকার ছিলেন, অথচ হাদিসের রেজাল শাস্ত্রে (সহি,জাল-জইফ নির্ধারন) তার যে অবদান.... বিংশ শতাব্দীতে কে আছে এমন?
জাকির নায়েক..... পেশায় একজন ডাক্তার। আল্লাহ তাকে মেধা দিয়েছেন অসাধারণ। কিছু বেদাতি মোল্লা যখন মিথ্যা কেচ্ছা, জাল হাদিস বয়ান এ ব্যস্ত, তিনি তখন কোরআন ও সহিহ হাদিসের প্রচার শুরু করেছেন বিশ্বব্যাপী। আল্লাহ যাকে ইচ্ছা তাকে মেধা দেন, ক্ষমতা দেন,যা একাডেমিক লেখাপড়া দ্বারা সম্ভব নয়।
👍 কোন একাডেমীক সার্টিফিকেট নাই...সেই রাসুল স: বিশ্বের সর্বকালের শ্রেষ্ট মানুষ। আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ ক্ষমতাবান, যাকে ইচ্ছা তাকে দিয়ে ইসলামের খেদমত করান।
হিংসুকদের হিংসা আল্লাহর ইচ্ছাকে প্রতিরোধ করতে পারে না।
আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে বুঝার তৌফিক দান করুক, আমিন।

গ্যাসের সিলিন্ডারে আগুন লাগলে যেভাবে নিভাবেন শেয়ার করুন এবং মানুষ কে দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসুন

গ্যাসের সিলিন্ডারে আগুন লাগলে যেভাবে নিভাবেন শেয়ার করুন এবং মানুষ কে দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসুন.

রমজানে যা করনীয় আমরা যখন এ মাসের গুরুত্ব অনুভব করলাম তখন আমাদের কর্তব্য হয়ে দাঁড়াল কীভাবে এ মাসেপ্রতিটি মুহূর্তকে কাজে লাগানো যায় সে প্রচেষ্টা চালানো। এ মাসে হেদায়াতের আলোকবর্তিকা আল-কোরআন নাজিল হয়েছে। এ মাসে জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেয়া হয়। এ মাসে জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়। শয়তানকে শৃঙ্খলে আবদ্ধ করাহয়। একজন ঘোষণাকারী ভাল কাজের আহ্বান জানাতে থাকে ও খারাপ কাজ থেকে বিরত থাকতে বলে। সাথে সাথেএটমাগফিরাতের মাস, জাহান্নাম থেকে মুক্তির মাস। এ মাসে রয়েছে লাইলাতুল কদর যা হাজার মাস থেকে শ্রেষ্ঠ। আমাদেরঅনেকেধারণরমজান মাস সিয়াম পালন ও তারাবীহ আদায়ের মাস। ব্যাস ! আর কীসের আমল ? দিনের বেলা পানাহার থেকে বিরত থাকছি এটা কম

 কি? না, ব্যাপারটা শুধু এ টুকুতে সীমিত নয়। রমজান একটি বিশাল বিদ্যাপীঠ। এ রমজানে আমরা কি কি নেক আমল করতে পারি তার মধ্যে একটি আমাল হল আল-কোরআন অর্থসহ বুঝে বুঝে খতম বা তিলাওয়াত করা। নাবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন :— الصيام والقرآن يشفعان للعبد يوم القيامة . . . সিয়াম ও কোরআন কেয়ামতের দিন মানুষের জন্য সুপারিশ করবে…। হাদিসে এসেছে, রমজানে জিবরাইল রাসূলে করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে কোরআন পাঠ করে শোনাতেন। আর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পূর্ণ কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে জিবরাইলের কাছে তুলে ধরতেন। আল-কোরআন তিলাওয়াত হল সর্বশ্রেষ্ঠ জিকির।

Saturday, 19 May 2018

‘ম্যাগনেটিক’ সীমানা পিলার চুরি; পরিনামে ভয়াবহ বজ্রপাত !

প্রাচীন ‘ম্যাগনেটিক’ সীমানা পিলার স্থাপন নিয়ে অনেক গুজব ও জনশ্রুতি আছে । কেউ কেউ এটিকে প্রাচীন মূল্যবান ‘ম্যাগনেটিক’ পিলার বলে আখ্যায়িত করছেন। আবার কেউ কেউ বলছেন এর মাধ্যমে বৃটিশরা আসলে এদেশের সব গোপন তথ্য চুরি করে নিয়ে যায়।
তবে আসল ঘটনা হচ্ছে- এদেশে বৃটিশদের শাষনের সময়কালে সীমানা পিলারগুলো ফ্রিকুয়েন্সি অনুযায়ী একটি থেকে আরেকটির দুরত্ব মেপে মাটির নীচে পুতে রাখা হয়েছিলো। যেগুলোর মধ্যে পিতল, তামা, লোহা, টাইটেনিয়ামসহ ধাতব চুম্বক সমন্বয়ে গঠিত হওয়ার কারনে বজ্রপাত হবার সময়ে ইলেকট্রিক চার্য তৈরী হয় সেটি সরাসরি এই পিলারগুলো শোষন করে আর্থিং এর কাজ করতো।
এতে করে বজ্রপাত হতো কিন্তু মানুষ মারা যেতোনা। অসাধু কিছু লোক এই পিলারগুলো অনেক দামে বিক্রি করা যায় এরকম গুজব ছড়ায়। এ কারনে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে পিলারগুলো নিষ্চিন্ন হয়ে গেছে। কিছু লোক এগুলোকে মহামুল্যবান বলে অপপ্রচার করে খুজে বের করে চুরি করে নিয়ে গেছে।
সীমান্ত পিলারগুলোর মধ্যে থাকা তামা পিতল, টাইটেনিয়াম জাতীয় ধাতবের সমন্বয়ে তৈরী বলে এগুলো বিদ্যুৎ সুপরিবাহি হয়ওয়াতে একে মহামুল্যবান বলে অপপ্রচারের ফলে এসব পিলার চুরি হতে থাকে।
বৃটিশ শাষন আমলে বজ্রপাত থেকে বাঁচার জন্য এই প্রযুক্তির পিলার গুলো সারা দেশ জুড়ে মাটির নিচে পুতে রাখা হয়েছিল একটি নির্দিষ্ট দুরত্ব পর পর ফ্রিকুয়েন্সি মেপে মেপে। এখন যেমন মোবাইল ফোনের টাওয়ার বসানোর সময় একটা থেকে আরেকটার দুরত্ব আর ফ্রিকুয়েন্সি মেপে ম্যাপ করে বসানো হয় ।
আগেকার আমলে বজ্রপাতে নিহত হবার সংখ্যা ছিল অনেক কম যেটি এখন এতটা বেড়ে গেছে যে, মানুষ রীতিমতো চিন্তায় পড়ে গেছে । এখন সবাই বুঝতে পারছে কেন বৃটিশ আমলে এগুলো মাটির নিচে পুতে রাখা হয়েছিলো।
বজ্রপাতে মৃত্যু রোধকল্পে সরকারকে বৃটিশদের মতো করে পিলার স্থাপনের উদ্দোগ আবার গ্রহণ করা উচিৎ বলেও মতামত দিচ্ছেন অনেক বিশেষজ্ঞ।
Pages (18)Previous 12345678 Next

Subscribe Us

back-to-top

Most Popular