স্বাগতম স্বপনীল ভুবনে: দেশের সংবাদ

About

Wellcome To Visit My Website..Thank You..!

Showing posts with label দেশের সংবাদ. Show all posts
Showing posts with label দেশের সংবাদ. Show all posts

Monday, 23 December 2024

মজলুম জননেতা আলহাজ্ব কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ দাদার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে করনীয়

 মুরাদনগরের মাটি ও মানুষের নেতা সাবেক ধর্ম প্রতিমন্ত্রী, সাবেক পাঁচ পাঁচ বারের মাননীয় সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সম্মানিত ভাইস চেয়ারম্যান মজলুম জননেতা আলহাজ্ব কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ দাদার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে করনীয় নির্ধারনে কেএম মজিবুল হক ভাই, কাজী জন্নুন বসরী ভাই,কাজী শাহ আরেফিন ভাইয়ের সাথে গুলশান একটি ফাইভ স্টার হোটেলে সাক্ষাৎ করেন মুরাদনগর উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।


Sunday, 22 December 2024

আলহাজ্ব কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ দাদা ভাইয়ের আগমন শুভেচ্ছা স্বাগতম |

চলো চলো ঢাকা চলো ২৮ শে ডিসেম্বর ঢাকা চলো


চলো চলো ঢাকা চলো ২৮ শে ডিসেম্বর ঢাকা চলো মুরাদনগর মাটি ও মানুষের নেতা সাবেক ধর্ম প্রতিমন্ত্রী পাঁচ বারের মাননীয় সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সম্মানিত ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ দাদা ভাইয়ের আগমন শুভেচ্ছা স্বাগতম |

Wednesday, 22 April 2020

করোনা ভাইরাসে যারা গৃহবন্দী খেটে খাওয়া প্রায় ৯০০ পরিবার এর মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ কাজ চলছে।অর্থায়ানে জনাব আব্দুল আজিজ মোল্লা

নোবেল করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে বিশ্ব যখন থমকে দাঁড়িয়েছে। তারই ফলশ্রুতিতে মানুষের আয়ের উৎস সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে গেছে। খেটে খাওয়া অসহায়, গরীব, দুঃখী মানুষগুলো ক্ষুধার যন্ত্রনায় রাস্তায় নেমে মিছিল করছে। ভাত দে হারামজাদা নইলে মানচিত্র চিবিয়ে খাবো। ঠিক তখনই মুরাদনগর উপজেলার ২০নংপাহাড়পুর ইউনিয়নের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী তারুণ্যের এবং যুব সমাজের আইকন সর্বস্তরের জনগণের আস্থার প্রতীক  জনাব, আব্দুল আজিজ মোল্লা। ইতিপূর্বে করোনা ভাইরাসের কারণে গৃহবন্ধী ১৭০ জন অসহায়, দিনমজুর পরিবারকে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন। মানব সেবায় যার নিবেদিতপ্রাণ সে কি করে হাত-পা গুটিয়ে বসে থাকবে সুদূর প্রবাসে। তাইতো সহায়তার কার্যক্রম থেমে নেই নতুন করে 900 পরিবারকে খাদ্য সামগ্রী দেওয়ার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ চলছে। আপনারা শুনে আরো খুশি হবেন 15 রমজানের পরে আবারো খাদ্যসামগ্রী দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। সুদূর প্রবাসে বসেও দেশের অসহায় দিনমজুর খেটে খাওয়া মানুষের কথা ভুলেনি। আল্লাহ তুমি  দান গুলো কবুল আর মঞ্জুর করে নাও। 

  ♥জনাব আব্দুল আজিজ    মোল্লা সাহেব

             মালয়েশিয়া প্রবাসী







         

Saturday, 4 April 2020

বইয়ের দাম সাড়ে পাঁচ হাজার টাকা। স্বাস্থ্য অধিদফতর কিনেছে সাড়ে ৮৫ হাজার টাকায়

বইয়ের দাম সাড়ে পাঁচ হাজার টাকা। স্বাস্থ্য অধিদফতর কিনেছে সাড়ে ৮৫ হাজার টাকায়। বালিশ কাণ্ডের চেয়েও ভয়ংকর স্ক্যান্ডাল! পুকুর খননে অভিজ্ঞতা অর্জনে সরকারি কর্মকর্তারা বিদেশ গেছেন, খরচ ১ কোটি ২৮ লাখ টাকা। তুঘলকি কাণ্ড।

সরকার বিরোধী রাজনৈতিক শক্তি বিএনপি জোট সরকারের কিছু করতে না পারলেও, সরকারের লোকজনই সর্বনাশটা করছে, করতে পারছে। হরিলুটে উন্নয়ন ভেসে যাচ্ছে। লুটেরা শক্তি উম্মাদ হয়ে বলছে, উপুর করে দে মা লুটেপুটে খাই

বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ শিক্ষার্থীদের জন্য স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রায় ৭ কোটি টাকার বই কেনা নিয়ে হরিলুটের অভিযোগ উঠেছে। বাজার মূল্যে সাড়ে পাঁচ হাজার টাকা দামের একটি বই স্বাস্থ্য অধিদফতর কিনেছে ৮৫ হাজার ৫শ’ টাকায়। 

জানা গেছে, সার্জারির শিক্ষার্থীদের ‘প্রিন্সিপাল অ্যান্ড প্র্যাকটিস অব সার্জারি’ বইটি গোপালগঞ্জের শেখ সায়েরা খাতুন মেডিকেল কলেজের জন্য ১০টি কপি কিনেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। বইটির বাজারমূল্য সাড়ে পাঁচ হাজার টাকা হলেও স্বাস্থ্য অধিদফতর প্রতিটি বই কিনেছে ৮৫ হাজার ৫০০ টাকায়। ১০ কপি বইয়ের দাম পরিশোধ করা হয়েছে ৮ লাখ ৫৫ হাজার টাকা। শুধু এই একটি আইটেমের বই-ই নয়, দুটি টেন্ডারে ৪৭৯টি আইটেমের ৭ হাজার ৯৫০টি বই কিনেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। এসব বইয়ের মূল্য পরিশোধ করা হয়েছে ৬ কোটি ৮৯ লাখ ৩৪ হাজার টাকা। গত ১৯ জুন টেন্ডার দুটির কার্যাদেশ পেয়েছে হাক্কানী পাবলিশার্স। তারাই বাজার থেকে বইগুলো কিনে স্বাস্থ্য অধিদফতরকে সরবরাহ করেছে। রাজধানীর মুগদা মেডিকেল কলেজের জন্য ৩১৭টি আইটেমের ২৪৫৪টি বই ২  কোটি ৫০ লাখ ৯১ হাজার ২৮৫ টাকায়  কেনা হয়েছে। এ ছাড়া সারা দেশের বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজের জন্য ১৬২টি আইটেমের ৫৪৯৬টি বই কেনা হয়েছে ৪ কোটি ৩৮ লাখ ৪২ হাজার ৯৫৮ টাকায়। বইগুলো দ্বিগুণ থেকে ১৫গুণ বেশি মূল্যে কেনা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

Monday, 28 October 2019

মুরাদনগরে ইংরেজী বিতর্ক প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন পাচঁপুকুরিয়া হাইস্কুল


 কুমিল্লার মুরাদনগরে সাবেক এমপি মরহুম হারুনুর রশিদ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আন্তঃ স্কুল ইংরেজি বিতর্ক প্রতিযোগিতার ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ মাঠে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে এই বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বিতর্ক প্রতিযোগিতার ফাইনালে কোম্পানীগঞ্জ বদিউল আলম উচ্চ বিদ্যালয় ও পাঁচপুকুরিয়া বাজার উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিদ্বন্দিতা করেন।সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাইফুল ইসলাম কমলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি ও স্থানীয় সংসদ সদস্য ইউসুফ আব্দুল্লাহ হারুন (এফসিএ)। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আহসানুল আলম সরকার কিশোর।
কাজী নোমান আহাম্মদ ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক মিজানুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সফিউল আলম তালুকদার, কোম্পানীগঞ্জ বদিউল আলম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মফিজ উদ্দিন, পাঁচপুকুরিয়া বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেন।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, সমাজসেবা কর্মকর্তা কবির আহাম্মদ, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা রমেন কুমার সাহা, একাডেমিক সুপারভাইজার কুহিনুর বেগম, মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি তাজুল ইসলাম, সাধারন সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারন সম্পাদক গাজীউল হক চৌধুরী, কামারচর উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি মোসলেহ্ উদ্দিন, নুরুন্নাহার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সৈয়দা হাছিনা আক্তার, কোরবানপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জান্নাতুল নাইম ভূইয়া, নবীয়াবাদ ফাযিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ বদিউল আলম প্রমুখ।
জানা যায়, ৯ই সেপ্টেম্বর উপজেলার ৩২টি উচ্চ বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার ৯৬জন শিক্ষার্থী নিয়ে ৩২জন শিক্ষকের সহযোগিতায় এই ইংরেজি বিতর্ক প্রতিযোগিতা শুরু হয়।বিতর্ক প্রতিযোগিতার ফাইনালে কোম্পানীগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়কে হারিয়ে পাঁচপুকুরিয়া বাজার উচ্চ বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন হয়।

Monday, 14 October 2019

এতো নির্মমভাবে হত্যা! নিষ্পাপ দেহ থেকে কেটে নেয়া হয়েছে দুটি কান। ছোট্ট শরীর থেকে গোপনাঙ্গও বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছে ঘাতকরা। নির্মমতার এখানেই শেষ নয়—হত্যার পর শিশুটির পেটে ঢুকিয়ে রাখা হয়েছে দুটি ধারালো ছুরি

কদমগাছের ডালে ঝুলে আছে গলাকাটা ছয় বছরের ছোট্ট শিশু তুহিনের নিথর দেহটি। নিষ্পাপ দেহ থেকে কেটে নেয়া হয়েছে দুটি কান। ছোট্ট শরীর থেকে গোপনাঙ্গও বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছে ঘাতকরা। নির্মমতার এখানেই শেষ নয়—হত্যার পর শিশুটির পেটে ঢুকিয়ে রাখা হয়েছে দুটি ধারালো ছুরি। হত্যা করার​ সবধরনের পাশবিকতাকে হার মানিয়েছে ঘাতকেরা। যেন নির্মম নির্যাতনে হত্যার প্রতিযোগিতায় নেমেছিলো তারা।
নির্মম এই হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায়। সোমবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার রাজানগর ইউনিয়নের গচিয়া কেজাউড়া গ্রাম থেকে ওই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত তুহিন একই এলাকার বছির মিয়ার ছেলে।
তুহিনের স্বজনরা জানান, রবিবার রাতে প্রতিদিনের মতো খাবার খেয়ে পরিবারের সবাই ঘুমিয়ে পড়েন। রাত ১২টার দিকে শিশু তুহিন প্রকৃতির ডাকে উঠলে তার মা বাহিরে নিয়ে যান। এর পর তাকে এনে আবার ঘুম পাড়িয়ে দেন।
রাত ৩টার দিকে মা-বাবা হঠাৎ দরজা খোলার শব্দ শুনে ঘুম থেকে জেগে দেখেন তুহিন ঘরে নেই। এর পর পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে বাড়ির পাশে রক্ত দেখেন। এর পর কিছু দূরে সুফিয়ান মোল্লার উঠানে মসজিদের পাশে গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় তুহিনের গলাকাটা মরদেহ দেখতে পান।
দিরাই থানার এসআই তাহের জানান, নিহত শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। হত্যাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে শিশুটির কান, গলা ও প্যানিস কেটে পাশবিক কায়দায় হত্যা করে গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখেছে। শিশুটির পেটে বিদ্ধ ছিল দুটি ধারালো ছুরি। তবে কে বা কারা, কী কারণে এ শিশুটিকে হত্যা করেছে তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি।

Sunday, 13 October 2019

আপনি সন্ত্রাসীর জননী। শেখ হাসিনা কে বললেন ছাত্র ইউনিয়ন I সময়ের সাহসী বক্তব্য। ছাত্র ইউনিয়নের পক্ষেই সম্ভব।

আপনি সন্ত্রাসীর জননী। শেখ হাসিনা কে বললেন ছাত্রদল
সময়ের সাহসী বক্তব্য। ছাত্র ইউনিয়নের পক্ষেই সম্ভব।

Saturday, 12 October 2019

র‍্যাব পরিচয় দেয়ার পরও নির্যাতন চালায় ভারতীয়রা!

নিজেদের পরিচয় দেয়ার পরেও র‌্যাব ১১ সিপিসি-২ কুমিল্লার ৩ সদস্য ও ২ সোর্সকে ধরে নিয়ে যায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। ভারতীয়দের দ্বারা ব্যাপক নি’র্যাতনের শিকার হয় তারা।চরম উদ্বেগ-উৎকন্ঠার মাঝে কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার আশাবাড়ি সীমান্ত থেকে তাদের ধরে নিয়ে যাওয়ার ১০ ঘন্টা পর গুরতর আহত অবস্থায় ফেরত দেয় বিএসএফ।

বৃহস্পতিবার সকাল আনুমানিক সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার আশাবাড়ি সীমান্তের ২০৫৯নং পিলারের ১০ নম্বর গেট এলাকা থেকে তাদের ধরে নিয়ে যায় বিএসএফ।পরে বিকাল ৫টায় ৬০ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) উর্দ্বতন কর্মকর্তা ও বিএসএফের মধ্যে এক ঘণ্টা পতাকা বৈঠকের পর আটক ৩ র‌্যাব সদস্য ও ২ নারী সোর্সকে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়।

Friday, 11 October 2019

আইনজীবী জানেন না 'বুলেট' নাকি 'বুয়েট' (ভিডিও)



বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম থেকে বহিষ্কৃত হয়েছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার এক আসামি পক্ষের আইনজীবী মোর্শেদা খাতুন শিল্পী।
মঙ্গলবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। আবরার হত্যা মামলার আসামি মুজাহিদুলের পক্ষে আইনি লড়াইয়ে তিনি অংশ নিয়েছেন। মোজাহিদুল রহমান ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বা ইইই বিভাগ, ১৬তম ব্যাচ ও বুয়েট ছাত্রলীগ সদস্য।
আদালত থেকে বেরিয়ে মোর্শেদা বলেন, 'আমার সাবমিশন ছিল যে আমার মুজাহিদ নির্দোষ একটা ছেলে ছিল। সেও বুলেটের এবং ব্রিলিয়ান্ট ছাত্র ছিল।'
সোশ্যাল মিডিয়ায় এই আইনজীবীকে নিয়ে তুমুল সমালোচনা চলছে। নেটিজেনরা বলছেন যিনি বুয়েটকে বুলেট বলেন তিনি কীভাবে আইনজীবী হন। আসামি পক্ষের আইনজীবীদের বিরুদ্ধে আরো একটি অভিযোগ করছেন নেটিজেনরা- আইনজীবীরা নাকি আদালতে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন আবরারের শরীরে পেটানোর দাগ ছিল নাকি চর্ম রোগ ছিল সেটাও যাচাই করে দেখা দরকার।'   
তবে আবরার হত্যা মামলার আসামিদের একজনের পক্ষে আইনি লড়াইয়ে অংশ নেয়ার কারণে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে কি না সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলা হয়নি বিজ্ঞপ্তিতে।
রুহুল কবীর রিজভী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘সংগঠন বিরোধী তৎপরতার জন্য বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট মোর্শেদা খাতুন শিল্পীকে সংগঠনের সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এখন থেকে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাংগঠনিক কার্যক্রমের সাথে অ্যাডভোকেট মোর্শেদা খাতুন শিল্পীর কোনো সম্পর্ক থাকবে না।’
জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের ১৭৯ সদস্যের নতুন কমিটিতে সদস্য হয়েছিলেন অ্যাডভোকেট মোর্শেদা খাতুন। এ কমিটি ঘোষণার পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের কথা রয়েছে। কিন্তু তার অনেক আগেই বহিষ্কৃত হলেন অ্যাডভোকেট মোর্শেদা খাতুন শিল্পী।
চলতি মাসের ৪ তারিখে সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেনকে আহ্বায়ক এবং বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমানকে সদস্য সচিব করে এ ফোরাম গঠিত হয়।

ছাত্রলীগ পালানোর পথ পাবে না: ভিপি নুর


বাংলাদেশের ছাত্রসমাজ ক্ষেপে গেলে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা পালানোর পথ পাবে না বলে মন্তব্য করেছেন ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুর।
সোমবার আবরার ফাহাদ হত্যার প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন।
বর্তমানে প্রত্যেকটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে দলদাস প্রশাসনের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ে একটা ভয়ার্ত পরিবেশ কায়েম করা হয়েছে মন্তব্য করে ভিপি নুর বলেন, ছাত্রলীগ সাধারণ শিক্ষার্থীদের হলে জিম্মি করে রেখেছে। প্রতিটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যে হল রয়েছে সেখানে নিয়ম অনুযায়ী প্রশাসনের সিট দেয়া কথা। কিন্তু আজ যদি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে তাকান, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়েদের হলগুলোতে দুইভাবে সিট দেয়া হয়, প্রশাসনিক ও রাজনৈতিকভাবে।
‘ছেলেদের বিজয় একাত্তর হল ব্যতীত অন্য হলগুলোতে ছাত্রলীগ শিক্ষার্থীদের হলে থাকতে দিয়ে তাদের দিয়ে প্রোগ্রাম মিছিল-মিটিং করায়। যদি কেউ মিছিল-মিটিং না করেন তাদের হলে থাকতে দেয় না। বিশ্ববিদ্যালয়ের দলকানা প্রশাসন ক্ষমতাসীন ছাত্র সংগঠনের এ সব অপকর্মের অন্যতম সহযোগী হিসেবে ভূমিকা পালন করছে বলেও মন্তব্য করেন কোটা আন্দোলনের এই নেতা।
এ সময় ছাত্রলীগের মধ্যে যারা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে অতি দ্রুত ব্যবস্থা নিতে আওয়ামী লীগ শীর্ষ নেতাদের প্রতি আহ্বান জানান নুর। তিনি বলেন, অন্যথায় বাংলাদেশের ছাত্রসমাজ ক্ষেপে গেলে পালানোর রাস্তা পাবে না ছাত্রলীগ।

রামদা হাতে বর্তমান ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের ছবি ভাইরাল


রামদা হাতের এই ছেলেটাকে চিনেন?

বর্তমান ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য। এরা আবার কোন মুখে বলে ছাত্রলীগে সন্ত্রাস নাই। সন্ত্রাস ছাড়া ছাত্রলীগ হতে পারেনা।সন্ত্রাসের অপর নাম ছাত্রলীগের আর মাফিয়ালীগের অপর নাম আওয়ামীলীগ।
বর্তমান গণতন্ত্রের নামই হচ্ছে মাফিয়াতন্ত্র !

Thursday, 10 October 2019

পু’লিশের পি’টু’নিতে না’রী শ্র’মিকের গ’র্ভপা’ত

গাজীপুরের শ্রীপুরে ও’য়েলটেক্স কা’রখানার শ্র’মিকদের দুই মাসের ব’কেয়া বে’তন ভা’তার দা’বিতে ঢাকা-ম’য়মনসিংহ ম’হাসড়ক অ’বরোধ ক’রার ঘ’টনায় ‘শ্রমিক-পু’লিশ সং’ঘর্ষে পু’লিশের লা’ঠিচা’র্জে আ’হত পাঁচজনের মধ্যে আকলিমা (২৫) নামে এক না’রী শ্র’মিকের গ’র্ভপা’ত হয়েছে। আকলিমা শ্রীপুরের ও’য়েলটেক্স গ্রুপের আদিব ডায়িং কা’রখানার অ’পারেটর। তার কা’রখানা পরিচয়পত্র নম্বর ২০৪৬১।
আকলিমা যোগফলকে জানিয়েছেন, ‘ওইদিন আমি রাস্তার পাশে দাঁ’ড়িয়ে থাকার সময় পু’লিশ আ’মাকে পে’টের এ’কপাশে লা’ঠি দি’য়ে আ’ঘাত করে। আমি প্র’তিবাদ করলেও পু’লিশ ক’র্ণপাত না করে আ’মাকে পে’টা’তে থাকে। পরে নি’জেকে বাঁ’চাতে কোনো রকমে ঘ’টনাস্থল ত্যা’গ করার চে’ষ্টা করি। কিছু সময়ের মধ্যেই পু’লিশ টি’য়ারশেল গ্যা’স ছাড়ে, গ্যা’সে দ’ম ব’ন্ধ হয়ে আসছিল।’
পরদিন সকাল থেকেই প্র’চুর প’রিমাণ র’ক্তক্ষ’রণের ফ’লে গ’র্ভে থাকা বা’চ্চাটা মা’রা যা’য়। গত ২৭ আ’গস্ট আ’ল্টাসনোগ্রাফি রি’পোর্টে দেখা যায় বা’চ্চাটি সু’স্থ আছে। পু’লিশ আমাকে মা’রার প’র থেকেই আমার বা’চ্চাটি গ’র্ভের ভে’তর মা’রা যা’য়।
কা’রখানা কর্তৃপক্ষ আকলিমাকে চি’কিৎসার জন্য ৮ হাজার টাকা দিয়েছে বলে আকলিমার স্বামী জাহাঙ্গীর হোসেন যোগফলকে জানিয়েছেন। জাহাঙ্গীরও একই কা’রখানার শ্র’মিক।
প্রসঙ্গত, গত বৃহষ্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) উপজেলার মুলাইদ এলাকায় দুপুর একটার দিকে শ্র’মিকদের ম’হাসড়ক অ’বরোধ ক’রার জে’রে একজন পু’লিশসহ মোট ছয়জন আ’হত হয়েছিল। এতে আড়াই ঘণ্টা যা’ন চ’লাচল ব’ন্ধ ছিল। এ ঘটনায় একজন পু’লিশসহ মোট ছয়জন আ’হত হয়েছে।
সূত্রঃ যোগফল

Thursday, 21 February 2019

‘আব্বা, এনামুল পুইড়া মইরা গেছে’


ঢাকা মেডিকেলের মর্গের সামনে স্বজনদের আহাজারি।ঢাকা মেডিকেলের মর্গের সামনে স্বজনদের আহাজারি।রাজধানীর চকবাজার এলাকায় রাজ্জাক ভবনে লাগা আগুনের ঘটনায় নিহত মানুষের সংখ্যা বেড়েই চলছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে লাশ আসছে। হাসপাতালে মানুষের ভিড়। স্বজনের আহাজারিতে পরিবেশ ভারী। কেউ ডুকরে কাঁদছেন। কেউ স্বজনকে জড়িয়ে ধরে কাঁদছেন। একজন আরেকজনকে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গের চিত্র এমনই হৃদয়বিদারক। লাশের সংখ্যা বাড়ছে, আর মানুষের কান্নায় পরিবেশ ভারী হয়ে উঠছে পরিবেশ।
তুহিন নামের একজন কেঁদে মোবাইল ফোনে বলছে, ‘আব্বা, আমি তুহিন, এনামুল পুইড়া মইরা গেছে। আমি আর রাজীব খুঁইজ্যা খুঁইজ্যা ঢাকা মেডিকেল মেডিকেল এসে তাঁকে খুঁইজ্যা পাইছি।’
পুরান ঢাকার চকবাজারে রাজ্জাক ভবনে লাগা আগুনে হারিয়েছেন স্বজনকে। ছবি: শুভ্র কান্তি দাশপুরান ঢাকার চকবাজারে রাজ্জাক ভবনে লাগা আগুনে হারিয়েছেন স্বজনকে। ছবি: শুভ্র কান্তি দাশএনামুলের পুরা নাম কাজী এনামুল হক অভি। তিনি ঢাকা সিটি কলেজ থেকে বিবিএ পড়েছেন। রূপালী ইনস্যুরেন্সে ইউনিট ম্যানেজার হিসেবে কাজ শুরু করেছিলেন। এনামুলের বাড়ি পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ। তিনি ওই এলাকায় থাকতেন। রাতে দাঁতের চিকিৎসা করাতে গিয়েছিলেন। তুহিন, কাজী আর নিহত এনামুল সমবয়সী। সম্পর্কে তুহিনের ভাতিজা এনামুল।
ঢাকা মেডিকেলের মর্গের সামনে স্বজনদের আহাজারি।ঢাকা মেডিকেলের মর্গের সামনে স্বজনদের আহাজারি।ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক (ডেপুটি অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর) মো. তারেক হাসান ভুঁইয়া বলেন, এখন পর্যন্ত ঢাকা মেডিকেলে ৬৫ জনের লাশ এসেছে। এর মধ্যে ৫৭ জন পুরুষ, ৫ জন নারী ও ৩টি শিশুর লাশ। লাশগুলো শনাক্তের সুবিধার্থে নম্বর দিয়ে রাখা হচ্ছে। স্বজনেরা এসে শনাক্ত করতে পারলে তাঁদের নম্বরগুলো জানানো হচ্ছে।
অগ্নিকাণ্ডে নিহত সিদ্দিকুল্লাহ চকবাজারে কসমেটিকসের ব্যবসা করতেন। তাঁর বাড়ি নোয়াখালীর সোনাইমুড়িতে। তিনি গতকাল রাতে বাড়িতে যাওয়ার জন্য রওনা হয়েছিলেন। কিন্তু তাঁর আর বাড়িতে যাওয়া হয়নি। তিনি একটি হোটেলে খেতে বসেছিলেন। আগুন লাগায় আর বেরোতে পারেননি। তাঁর ছেলে মোহাম্মদ বাবু (২০) মেডিকেলের সামনে বসে বিলাপ করছিলেন।
ঢাকা মেডিকেলের মর্গের সামনে স্বজনদের আহাজারি।ঢাকা মেডিকেলের মর্গের সামনে স্বজনদের আহাজারি।হাসপাতালে সামনে ডুকরে কাঁদতে দেখা যায় জরিনা বেগমকে। তাঁর দুই ভাই মোহাম্মদ আলী ও অপু। মোহাম্মদ আলীর তিন বছরের ছেলে আরাফাত পুড়ে মারা গেছে। ঘটনার সময় তাঁরা রাস্তার ওপর দাঁড়িয়ে ছিলেন।
একটি মসলা কোম্পানিতে কাজ করতে মো. জুম্মন। তাঁর দুই ছেলে রাশেদ ও রাব্বী। হাসপাতালের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন। রাশেদ কাঁদতে কাঁদতে বলেন, এতগুলো মানুষ পুড়ে মারা গেল। এটা সহ্য করার মতো নয়।

Wednesday, 23 May 2018

কাবাঘরের ইমামের চাইতেও কি আমাদের দেশের কিছু কিছু আলেমেরা বেশী জ্ঞানী হয়ে গেলো নাকী?

https://shopnilbubon.blogspot.my/

https://shopnilbubon.blogspot.my/
কাজী নজরুল ইসলাম রুটি বিক্রি করে যে কবিতা লিখেছেন,তা বড় বড় ভার্সিটির শিক্ষকদের পড়তে দাঁত ভাঙার দশা। আশ্চর্য! এখন যদি কোন ভার্সিটির শিক্ষক বলে কাজী নজরুলের চেয়ে তার শিক্ষাগত যোগ্যতা বেশি... অতএব সে বড়। কত বড় মুর্খ সে?
ঈমাম আবু হানিফা র: কাপড়ের ব্যবসায়ী ছিলেন। ফিকাহ শাস্ত্রে তার যে অবদান, তা বর্তমান জামানার 
এক হাজার মুফতি কি করতে পারবে?
আল্লামা নাসিরুদ্দিন আলবানী ঘড়ির মেকার ছিলেন, অথচ হাদিসের রেজাল শাস্ত্রে (সহি,জাল-জইফ নির্ধারন) তার যে অবদান.... বিংশ শতাব্দীতে কে আছে এমন?
জাকির নায়েক..... পেশায় একজন ডাক্তার। আল্লাহ তাকে মেধা দিয়েছেন অসাধারণ। কিছু বেদাতি মোল্লা যখন মিথ্যা কেচ্ছা, জাল হাদিস বয়ান এ ব্যস্ত, তিনি তখন কোরআন ও সহিহ হাদিসের প্রচার শুরু করেছেন বিশ্বব্যাপী। আল্লাহ যাকে ইচ্ছা তাকে মেধা দেন, ক্ষমতা দেন,যা একাডেমিক লেখাপড়া দ্বারা সম্ভব নয়।
👍 কোন একাডেমীক সার্টিফিকেট নাই...সেই রাসুল স: বিশ্বের সর্বকালের শ্রেষ্ট মানুষ। আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ ক্ষমতাবান, যাকে ইচ্ছা তাকে দিয়ে ইসলামের খেদমত করান।
হিংসুকদের হিংসা আল্লাহর ইচ্ছাকে প্রতিরোধ করতে পারে না।
আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে বুঝার তৌফিক দান করুক, আমিন।

গ্যাসের সিলিন্ডারে আগুন লাগলে যেভাবে নিভাবেন শেয়ার করুন এবং মানুষ কে দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসুন

গ্যাসের সিলিন্ডারে আগুন লাগলে যেভাবে নিভাবেন শেয়ার করুন এবং মানুষ কে দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসুন.

রমজানে যা করনীয় আমরা যখন এ মাসের গুরুত্ব অনুভব করলাম তখন আমাদের কর্তব্য হয়ে দাঁড়াল কীভাবে এ মাসেপ্রতিটি মুহূর্তকে কাজে লাগানো যায় সে প্রচেষ্টা চালানো। এ মাসে হেদায়াতের আলোকবর্তিকা আল-কোরআন নাজিল হয়েছে। এ মাসে জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেয়া হয়। এ মাসে জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়। শয়তানকে শৃঙ্খলে আবদ্ধ করাহয়। একজন ঘোষণাকারী ভাল কাজের আহ্বান জানাতে থাকে ও খারাপ কাজ থেকে বিরত থাকতে বলে। সাথে সাথেএটমাগফিরাতের মাস, জাহান্নাম থেকে মুক্তির মাস। এ মাসে রয়েছে লাইলাতুল কদর যা হাজার মাস থেকে শ্রেষ্ঠ। আমাদেরঅনেকেধারণরমজান মাস সিয়াম পালন ও তারাবীহ আদায়ের মাস। ব্যাস ! আর কীসের আমল ? দিনের বেলা পানাহার থেকে বিরত থাকছি এটা কম

 কি? না, ব্যাপারটা শুধু এ টুকুতে সীমিত নয়। রমজান একটি বিশাল বিদ্যাপীঠ। এ রমজানে আমরা কি কি নেক আমল করতে পারি তার মধ্যে একটি আমাল হল আল-কোরআন অর্থসহ বুঝে বুঝে খতম বা তিলাওয়াত করা। নাবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন :— الصيام والقرآن يشفعان للعبد يوم القيامة . . . সিয়াম ও কোরআন কেয়ামতের দিন মানুষের জন্য সুপারিশ করবে…। হাদিসে এসেছে, রমজানে জিবরাইল রাসূলে করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে কোরআন পাঠ করে শোনাতেন। আর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পূর্ণ কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে জিবরাইলের কাছে তুলে ধরতেন। আল-কোরআন তিলাওয়াত হল সর্বশ্রেষ্ঠ জিকির।

Saturday, 19 May 2018

‘ম্যাগনেটিক’ সীমানা পিলার চুরি; পরিনামে ভয়াবহ বজ্রপাত !

প্রাচীন ‘ম্যাগনেটিক’ সীমানা পিলার স্থাপন নিয়ে অনেক গুজব ও জনশ্রুতি আছে । কেউ কেউ এটিকে প্রাচীন মূল্যবান ‘ম্যাগনেটিক’ পিলার বলে আখ্যায়িত করছেন। আবার কেউ কেউ বলছেন এর মাধ্যমে বৃটিশরা আসলে এদেশের সব গোপন তথ্য চুরি করে নিয়ে যায়।
তবে আসল ঘটনা হচ্ছে- এদেশে বৃটিশদের শাষনের সময়কালে সীমানা পিলারগুলো ফ্রিকুয়েন্সি অনুযায়ী একটি থেকে আরেকটির দুরত্ব মেপে মাটির নীচে পুতে রাখা হয়েছিলো। যেগুলোর মধ্যে পিতল, তামা, লোহা, টাইটেনিয়ামসহ ধাতব চুম্বক সমন্বয়ে গঠিত হওয়ার কারনে বজ্রপাত হবার সময়ে ইলেকট্রিক চার্য তৈরী হয় সেটি সরাসরি এই পিলারগুলো শোষন করে আর্থিং এর কাজ করতো।
এতে করে বজ্রপাত হতো কিন্তু মানুষ মারা যেতোনা। অসাধু কিছু লোক এই পিলারগুলো অনেক দামে বিক্রি করা যায় এরকম গুজব ছড়ায়। এ কারনে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে পিলারগুলো নিষ্চিন্ন হয়ে গেছে। কিছু লোক এগুলোকে মহামুল্যবান বলে অপপ্রচার করে খুজে বের করে চুরি করে নিয়ে গেছে।
সীমান্ত পিলারগুলোর মধ্যে থাকা তামা পিতল, টাইটেনিয়াম জাতীয় ধাতবের সমন্বয়ে তৈরী বলে এগুলো বিদ্যুৎ সুপরিবাহি হয়ওয়াতে একে মহামুল্যবান বলে অপপ্রচারের ফলে এসব পিলার চুরি হতে থাকে।
বৃটিশ শাষন আমলে বজ্রপাত থেকে বাঁচার জন্য এই প্রযুক্তির পিলার গুলো সারা দেশ জুড়ে মাটির নিচে পুতে রাখা হয়েছিল একটি নির্দিষ্ট দুরত্ব পর পর ফ্রিকুয়েন্সি মেপে মেপে। এখন যেমন মোবাইল ফোনের টাওয়ার বসানোর সময় একটা থেকে আরেকটার দুরত্ব আর ফ্রিকুয়েন্সি মেপে ম্যাপ করে বসানো হয় ।
আগেকার আমলে বজ্রপাতে নিহত হবার সংখ্যা ছিল অনেক কম যেটি এখন এতটা বেড়ে গেছে যে, মানুষ রীতিমতো চিন্তায় পড়ে গেছে । এখন সবাই বুঝতে পারছে কেন বৃটিশ আমলে এগুলো মাটির নিচে পুতে রাখা হয়েছিলো।
বজ্রপাতে মৃত্যু রোধকল্পে সরকারকে বৃটিশদের মতো করে পিলার স্থাপনের উদ্দোগ আবার গ্রহণ করা উচিৎ বলেও মতামত দিচ্ছেন অনেক বিশেষজ্ঞ।

লক্ষ্মীপুরে প্রবাসী স্বামীর স্বর্ণ-টাকা নিয়ে স্ত্রী উধাও !

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে স্বর্ণ ও নগদ টাকা নিয়ে প্রেমিকের হাত ধরে সাথী আক্তার (১৯) নামে প্রবাসীর স্ত্রীর উধাও হওয়ার ঘটনায় এলাকায় তোলপাড় চলছে। স্ত্রীর খোঁজে বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেড়াচ্ছেন স্বপন। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত মালয়েশিয়া ফেরত মো. স্বপন (৩২) থানায় ও আদালতে অভিযোগ করেছেন। গৃহবধু সাথী রায়পুর পৌরসভার মধুপুর গ্রামের ইব্রাহিম ওরপে সাকুর মেয়ে এবং একই গ্রামের প্রবাস ফেরত মো. স্বপনের স্ত্রী।
স্বপন সাংবাদিকদের জানান, গত বছরের ১৫ জানুয়ারী পারিবারিকভাবে সাথীকে বিয়ে করেন তিনি। বিয়ের দু’মাস পর ধার-দেনা করে মালোশিয়া চলে যান। তার ছয় মাস পর স্ত্রীর অনুরোধে মালয়েশিয়া থেকে দেশে এসে শুনেন তিনিসহ মা ও ভাইকে আসামী করে আদালতে নারী নির্যাতন মামলা করেছেন সাথী।
সেই মামলায় স্বপন আদালতে আত্মসমর্পণ করলে এক মাস ২৮ দিন কারাভোগ করে জামিনে বের হয়েছেন। এদিকে সাথী তালাকপ্রাপ্ত না হয়েও এক যুবকের হাত ধরে বৃহস্পতিবার রাতে তিন ভরি স্বর্ণ ও নগদ তিন লক্ষ টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়। অনেক খোঁজাখুজি ও শ্বশুর-শাশুড়ির কাছ থেকে সহযোগীতা না পেয়ে স্বপন বাদী হয়ে থানায় ও আদালতে অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযুক্ত সাথীর সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করে না পেয়ে তার মা শাহীনুর বেগম বলেন, আমার জামাতা স্বপন খারাপ প্রকৃতির মানুষ। তাকে বিদেশ যাওয়ার সময় দুই লাখ ২০ হাজার টাকা সহ বিভিন্ন সময় স্বর্ণ দেওয়া হয়। সে আমাদের সাথে চরম দূর্ব্যবহার করায় তার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করা হয়েছে। সাথী কোথায় আছে তা বলতে পারবো না।
স্থানীয় কাউন্সিলর মো. নোমান বলেন, স্বপন ও সাথীর পরিবার একই গ্রামের বাসিন্দা। আদালতে তাদের পারিবারিক বিষয় নিয়ে মামলা চলেছে। এই ব্যাপারে কোন বক্তব্য দিতে পারবো না।

Sunday, 22 September 2013

ধর্ষণ করে একজনে বা কয়েকজনে, আর ধর্ষণ উপভোগ করে সমগ্র জাতি।

ধর্ষণ করে একজনে বা কয়েকজনে, আর ধর্ষণ উপভোগ করে সমগ্র জাতি। শুধু পুরুষরা নয়- জাতির মেয়েরা, মহিলারা এবং সাদা চুলের থুত্থুরে বুড়িরা। ধর্ষক বুক ফুলিয়ে, কলার উঁচু করে বীরের বেশে এলাকায় ঘুরে বেড়ায় আর ধর্ষিতার স্থান হয় নির্জন ঘরের কোনে- যদি সে বেচে থাকে!
শারীরিক ধর্ষণের পরে শুরু হয় মানসিক ধর্ষণ। পত্রিকার পাতায়, কলামে কলামে, থানায় পুলিশের ডাইরিতে, আদালতে অসভ্য উকিলের আপত্তিকর জেরায়। দিনের পর দিন সে ধর্ষিত হতে থাকে পাড়ার বুড়োদের চায়ের আড্ডায়, বুড়ি এবং ছুড়িদের মুখে মুখে কিংবা কে এফ সিতে- পিঁজা হাটে বান্ধবীর জন্মদিনে অথবা পাড়াতো বোনের বিয়ের অনুষ্ঠানে। ধর্ষক রাস্তার পাশের চায়ের দোকানে দাঁড়িয়ে আড্ডা দেয়। রসিয়ে রসিয়ে ধর্ষণের বর্ণনা করে, মেয়েটা কেমন স্বাদের ছিল- কেমন করে বাধা দিয়েছিল এবং সে কেমন ধরনের আসল পুরুষ(!) সবিস্তারে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে সেই গল্প করে। একটা অসহায় মেয়ের শরীর তখন সমাজের সবার ভোগে লেগে যায়। মোবাইল থেকে মোবাইলে ভিডিও ঘুরতে থাকে। পত্রিকার সম্পাদক রসিয়ে রসিয়ে ধর্ষণের ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ বর্ণনা দেন। সেখানে ধর্ষিতার বয়স উল্লেখ থাকে, স্কুল কলেজের পরিচয় উল্লেখ থাকে, থাকে না শুধু ধর্ষকের একটা স্পষ্ট ফটো কিংবা ভাল করে পরিচয়। এক ফাকে টুপ করে ঢুকিয়ে দেয়া হয় কোন ওয়েবসাইটে সেই ভিডিওর খোজ পাওয়া যাবে সেই খবর।
সেই গল্প শুনে, ভিডিও দেখে সারাদেশের আরো অনেক পটেনশিয়াল ধর্ষকের পুরুষত্ব জেগে ওঠে। না আর থাকা যায় না, এইবার একটা ডাঁসা মাল চাই! তাদের ঠোটের দুই কোন দিয়ে এবং অন্য অনেক জায়গা নিয়ে কুৎসিত লালা ঝরে। অশ্লীল চোখগুলো ক্রমাগত ঘুরে ফিরে যায় রাস্তা দিয়ে চলন্ত স্কুলগামী ছাত্রীর দিকে, পুকুরে গোসল-রত কিশোরীর দিকে কিংবা বাসে হ্যান্ডেল ধরে দাঁড়িয়ে থাকা মাঝবয়েসী মহিলার দিকে। শুধু একটা সুযোগ দরকার তার!
আর সেই মেয়েটি?
তাকে আস্তে করে ঝুলে পড়তে হয় গলার সাথে দড়ি বেধে। এ সমাজ তাকে জোর করে সেদিকে ঠেলে দেয়। বেচে থাকতে বাবা তাকে বকে, মা তাকে অবজ্ঞা করে, ভাই-বোন করে ঘৃণা। পাড়া প্রতিবেশী দিনের পর দিন তার চরিত্রের কলুষতা এবং পঙ্কিলতা নিয়ে খোটা দেয়। সবাই মিলে ধর্ষিত মেয়েটার জীবনটাকে একটা বিভীষিকা বানিয়ে দেয়। স্কুলের স্যার তাকে অশ্লীল ইংগিত করে, বান্ধবীরা সংগ পরিত্যাগ করে। সবার চোখে, মুখে, আচার- আচরণে, কথায় এবং কাজে একটাই ইংগিত থাকে- ” তুই ধর্ষিতা, তুই পতিতা, তুই চরিত্রহীনা- তুই মর। ”
ধর্ষক এরকম আরো অনেক অনেক প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য ধর্ষণ শেষে সানাই বাজিয়ে বিয়ে করে নিয়ে আসে। মেয়ের বাবা আনন্দের সাথে মেয়ে বিয়ে দিয়ে তৃপ্তির ঢেকুর তোলে। শুধু ধর্ষিতা মেয়েটিকে বিয়ে দেবার জন্যে কোন ছেলে পাওয়া যায় না।
দিনের পর দিন এই বিষ কিশোর মস্তিষ্কে ঢুকেছে। আমার ওটা আছে বলে ধর্ষণ করা একটা কনজেনিটাল রাইট আমি নিয়ে এসেছি এই ভেবে পুলকিত হয়েছি।
একটা মেয়ের জন্যে কেউ নিরাপদ না। শিক্ষক, সহপাঠী, বন্ধু, বয়-ফ্রেন্ড, এলাকার ছেলে, আত্মীয়- পুরুষ, চাচা-মামা-খালু, দুলাভাই এমনকি ক্ষেত্র বিশেষ নিজের বাপ-ভাই ও না। কর্মক্ষেত্রে কলিগ, অফিসের বস- সুযোগ পেলেই মিষ্টি হাসি ঝেড়ে ধর্ষকের রূপ ধরতে মুহূর্ত দেরি করেন না। বাসের হেল্পার, ক্যান্টিনবয়, হাসপাতালের ঝাড়ুদার, বাসার দারোয়ান কিংবা অফিসের পিয়ন- ওটার ব্যবহারে কেউ কারো চেয়ে পিছিয়ে থাকতে রাজী নয়।
ধর্ষিতার পক্ষে কেউ থাকে না। ধর্ষকের পক্ষে সবাই।
প্রশাসন, মিডিয়া, সমাজ কিংবা রাষ্ট্র একযোগে কাজ করে ধর্ষককে বাঁচানোর জন্যে। তার বিরুদ্ধে মামলা নেয়া হয় না। থানার ওসির সাথে প্রতিদিন তার মোলাকাত হলেও গ্রেফতারের জন্যে তাকে খুঁজে পাওয়া যায় না। বাই এনি চান্স গ্রেফতার হলেও বড়- ছোট এবং মাঝারি পাল্লার সুপারিশের ধমকে কয়েক ঘন্টার বেশি তাকে হাজতে থাকতে হয় না। হাজত থেকে বেরিয়ে এসে ধর্ষিতার পরিবারকে ক্রমাগত হুমকি দেয়া চলতে থাকে যাতে মামলা তুলে নেয়া হয়। এমনকি ধর্ষণের মামলা থেকে জামিনে ছাড়া পেয়ে ফিরে এসে সেই মেয়েকে তার ছোটবোনসহ পুনরায় ধর্ষণের ঘটনাও এই দেশে ঘটেছে।
নিউমার্কেটে দিনে দুপুর বেলায় ঢাকার এক বিখ্যাত কলেজের পরিচয়ধারী এক ছেলে একটা মেয়েকে চড় মারে। কারন হলো মেয়েটা ছেলেটাকে স্টুপিড বলেছে। কেন স্টুপিড বলেছে তার কারন হলো ছেলেটা ভিড়ের সুযোগে মেয়েটাকে ধাক্কা মেরেছে এবং শরীরে হাত দিয়েছে। কিন্তু উপস্থিত জনতা ছেলেটাকেই সাপোর্ট করে এবং একটা বখাটের হাতে শারীরিক ভাবে নিগৃহীত হয়ে, থাপ্পড় খেয়েও মেয়েটা স্যরি বলতে বাধ্য হয়। আমার যে ফ্রেন্ডটা ওখানে ছিল তার ভাষায় ছেলেটা অমুক কলেজের। কে তার সাথে লাগতে যাবে?
হাজার খানেক মানুষ এক বখাটের ভয়ে থরহরি কম্পমান। এই না হলে বীর বাঙ্গালী- অস্ত্র ধরেই যারা দেশ স্বাধীন করে ফেলেছে। তারপর সেই অস্ত্র অতল দরিয়ায় নিক্ষেপ করেছে। শত অন্যায়েও এখন তার গলায় স্বর বের হয় না।
ঘেটুপুত্র কমলা ম্যুভিটিতে হুমায়ুন আহমেদ একটা চমৎকার উপমায় আমাদের মানসিকতা ফুটিয়ে তুলেছেন। জমিদারের টাকা আছে সে ঘেটুপুত্র রাখে। কিন্তু তার ঘোড়ার দেখাশোনার জন্যে যে লোক তার টাকা নেই বলে সে ঘেঁটু রাখতে পারে না। কিন্তু ঘেটুছেলের দিকে সেও লোভী নজর দেয়। মনে মনে স্বগতোক্তি করে টাকা হলে সেও ঘেঁটু রাখবে।
আমরা একটা ধর্ষক জাতি। একটা অসভ্য এবং বর্বর জাতি। এই দেশে ভার্সিটিতে ছাত্রনেতারা প্রকাশ্যে ক্লাসমেট, জুনিয়র কিংবা সিনিয়র মেয়েদের ধর্ষণ করে। কেক কেটে ধর্ষণের সেঞ্চুরি পালন করে। এক অপ্রকাশিত নেতার কাহিনী শুনেছিলাম। মেয়েরা তার কাছে ধর্ষিত হতে আসতো। কারন সে যাকে টার্গেট করতো তাকে ধর্ষিত হতেই হতো অথবা ভার্সিটির পড়াই বাদ দিয়ে দিতে হতো। তারচেয়ে চুপে চুপে একবার তার কাছে এসে ধর্ষিত হওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ ছিল, অন্তত লোক-জানাজানি হতো না তাতে। মেয়েরা কার কাছে বিচার চাইবে? শিক্ষকের কাছে? তারাই তো রুমে ডেকে নিয়ে ছাত্রী ধর্ষণে লিপ্ত। মন্ত্রীদের কাছে? এই দেশের কলেজের মেয়েদের তো তাদের কাছে উপঢৌকন হিসেবেই পাঠানো হয়। শরীরের বিনিময়ে মিলে পার্টিতে পদ কিংবা হলে সিট।
পুরুষতান্ত্রিকে এই সমাজে অধিকাংশ পুরুষের ভেতরে একটা করে ধর্ষক লুকিয়ে আছে। সময় এবং সুযোগে কারোটা বেরিয়ে আসে। অনেকের সে সুযোগ মেলে না। তার ধর্ষণ হয় পরোক্ষ। সে যে কাউকে ধর্ষণ করে নি, সে জন্যে শুধু পর্যাপ্ত সময় ও সুযোগের অভাবই দায়ী। তার কোন ভাল মানুষী না
উন্নত দেশেও ধর্ষণ হয়, অপরাধ হয়। তবে সে দেশে অপরাধের অন্তত বিচার হয়। আমাদের দেশেও অপরাধ হয়- অপরাধী রাজার হালে বুক ফুলিয়ে ঘোরে। কোন বিচার হয় না। উলটো ক্ষেত্র-বিশেষে পুরস্কার জোটে। এটাই তাদের সাথে আমাদের পার্থক্য।
এই লেখাটা লিখতে আমার দুইদিন সময় লাগছে। প্রচুর ভাবতে হয়েছে। কষ্ট করে টাইপ করতে হয়েছে। সময়টার বৃথা ব্যবহার, পৌরুষের নিদারুণ অপচয়। এরচেয়ে একটা ধর্ষণ করে ফেলা এই দেশে অনেক সহজ। ইচ্ছে হলো, টার্গেট করলাম, করে ফেললাম। সাথে বোনাস হিসেবে খ্যাতিটাও জুটত।
একটা এড ছিল-” টাকা রি-চার্জ যখন এতো সহজ- কথা বলবে না কেন?”
একটু মডিফাই করে বলতে পারি- “ধর্ষণ যখন এত সহজ, করবে না কেন?”

বহুত পুরাতন জিনিস। তাও বলি-
অন্যায় যে করে আর অন্যায় যে সহে
তব ঘৃণা তারে যেন তৃণ সম দহে।
উৎসর্গঃ সেই আপুটাকে, যেই আপুটি, আমার  Daudkandi থানায় কাজের বুয়া হয়েও রক্ষা পায় নি…যার বয়স ছিল মাত্র ১২ বছর…




====================================00========================================
Pages (18)Previous 12345678 Next

Subscribe Us

back-to-top

Most Popular