স্বাগতম স্বপনীল ভুবনে: বিনোদন

About

Wellcome To Visit My Website..Thank You..!

Showing posts with label বিনোদন. Show all posts
Showing posts with label বিনোদন. Show all posts

Wednesday, 16 October 2013

ধর্ম যার যার, উত্সব সবার, এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সবার ঈদ হউক অনাবিল আনন্দের।

ধর্ম যার যার, উত্সব সবার, এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সবার ঈদ হউক অনাবিল আনন্দের। ধর্ম বর্ণ গোত্র নির্বিশেষে ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে পড়ুক সবার মাঝে। সবাইকে ঈদের অনেক অনেক শুভেচ্ছা, ঈদ মোবারক। ঈদ মোবারক ও শুভেচ্ছা আমার সকল User, মডারেটর,  ও পাঠকগণকে।


এমন উত্সবের দিন্ আমরা সবাই নিশ্চয় উত্সবে মাতোয়ারা হবো, কিন্তু তার আগে আমরা যেন কিছুতেই ভুলে না যাই পাশের বাড়ির অসহায় বৃদ্ধা বিধবার কথা, সহায় সম্ভবহীন পুত্রকন্যা পরিজনহীন ( অথবা আত্মীয় স্বজন দ্বারা অবেহলিত, উপেক্ষিত) বৃদ্ধের কথা, ইয়াতিম গরীব শিশু কিশোর/কিশোরীর কথা, পঙ্গু অসহায় প্রতিবন্ধীর কথা, গরীব আত্মীয় স্বজনের কথা। 

আমরা যেন অন্তত এইটুকু ভাবি যে, আমার যেমন আনন্দ উল্লাস করতে ভালো লাগে, ঠিক একই অনুভূতি সবার মাঝেই বিরাজ করে। কিন্তু সামর্থের জন্যে অনেকে সেটা উপভোগ করতে পারে না। আমার ছেলেমেয়ের যেমন নতুন জামাকাপড় পরতে ভালো লাগে, প্রতিবেশি অন্ধ লোকটির ছেলেমেয়েরও পরতে ইচ্ছে করে। আমরা যারা মা বাবা থেকে দূরে আছি, তারা যেন কিছুতেই মা বাবা-র কথা ভুলে না যাই। আমার সন্তান দৌড়ে এসে যখন আমাকে বাবা/মা বলে ডাকে তখন গর্বে আমার বুকটা যেভাবে ভরে যায়, ঠিক একই কথা আমার বাবা/মা-র ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। তারাও আমাদের জন্যে আশায় বুক বেধে রাখেন, সন্তানের সাথে বসে দুই বেলা খাবার খাওয়ার অধিকার তাদেরও আছে। 

সর্বোপরি, দুঃখ কষ্ট গ্লানি এসব চেপে রাখাই শ্রেয় কিন্তু আনন্দ, আনন্দ বিলিয়ে দেওয়ার মধ্যেও আরো উচ্চতর ভিন্নতর আনন্দ আছে। আপন পর সবার মাঝে আনন্দ ভাগ করলে আনন্দ আরো বহুগুনে বেড়ে যায়। আমাদের সবার আনন্দ হউক সীমাহীন ও সর্বজনিন। যে কোনো ঠুন্ক বাধন ছিড়ে বেরিয়ে এসে আমরা যেন মানুষত্বকেই আপনা করতে পারি সবচেয়ে বেশি। আবারো ঈদ মোবারক। ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে পড়ুক সমস্ত বাংলাদেশে, সকলের মনে ও প্রাণে।



=====================================00======================================

Thursday, 30 May 2013

কিছু দারুণ তথ্য জেনে রাখুন,,কাজে লাগবে

₹ আপনি যখন মোবাইলে কোন নাম্বার ডায়াল করেন, তখন কানেকশন 

    পাওয়ার আগ পর্যন্ত,মোবাইল তার সর্বোচ্চ শক্তি ব্যাবহার করে। অর্থাৎ 

    এসময় মোবাইল থেকে সর্বোচ্চ রেডিয়েশন হয়।তাই এসময় মোবাইল  
    কানের কাছে না ধরেই রাখাই ভালো৷


₹ টি.ভি দেখার সময় বাতি বন্ধ করবেননা। বাতি বন্ধ থাকলে টি.ভি হতে 
    নিক্ষিপ্ত ইলেকট্রন সোজা-সোজা চোখে আঘাত করে৷

₹ মনিটরের দিকে টানা আধা ঘন্টার বেশি তাকিয়ে থাকবেননা।
    কিছুক্ষণের জন্য চোখ বন্ধ রেখে চোখকে রেষ্ট দিন

₹ আপনি যত বড় ক্যাডারই  হোন,চলন্ত গাড়ির সাথে কখনো ত্যাড়ামি  করতে  যাবে,ঐ বাণীটা শুনেননি,”চলন্ত গাড়ি এবং নারী হতে সাবধান।” ব্যাস্ত রাস্তার  মাঝখানে গিয়ে  সামনে পিছে ছোট ছুটি করবেননা। হয় সামনে যাবেন,নয়তো থেমে যাবেন।পেছনের দিকে  যাবেননা।

₹ বাসে চলা-চলের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হলো 
    নামার সময় 
    অবশ্যই অবশ্যই অবশ্যই বাম পা প্রথমে দিয়ে নামবেন। বাস যত দ্রুত     
    চলুক শরীরের কন্ট্রোল রাখতে পারবেন

₹ নিয়মিত নামাজ পড়ুন, মনের 
     অশান্তি দূর হবে৷

   [ ভাল লাগ্লে লাইক , কমেন্ট করুন ] পোষ্টটি উপকারী মনে হলে শেয়ার করে বন্ধুদেরও জানিয়ে দিন




Wednesday, 29 May 2013

|| স্বাধীনতার বাকি রয়ে যাওয়া কিছু কথা ||


আজ ১৬ই ডিসেম্বর, মহান বিজয় দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে পৃথিবীর বুকে বাংলাদেশ নামের একটি স্বাধীন রাষ্ট্র ভূমিষ্ট হয়। ১৭৫৭ সালে পলাশীর আম্রকাননে স্বাধীনতার যে সূর্য অস্তমিত হয়েছিল সেটির উদয় ঘটে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর।
বিজয়ের মহামুহূর্তটি সূচিত হয়েছিল আজকের এই দিনে। ৯১ হাজার ৫৪৯ পাকিস্তানি সৈন্য প্রকাশ্যে আত্মসমর্পণ করেছিল। ঢাকার ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আমির আব্দুল্লাহ খান নিয়াজী মিত্র বাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের সর্বাধিনায়ক লেফটেন্যান্ট জেনারেল জগজিত্ সিং অরোরার কাছে আত্মসমর্পণের দলিলে স্বাক্ষর করেছিলেন।
দেনদরবার নয়, কারও দয়ার দানে নয়, এক সাগর রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বিজয়ের পর নত মস্তকে পাকিস্তানি বাহিনী পরাজয় মেনে নেয়। পৃথিবীতে নতুন একটি রাষ্ট্র হিসেবে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে।
আর এই বিজয়ের মহানায়ক হিসাবে যিনি ইতিহাসে চির অম্লান ও ভাস্বর হয়ে আছেন তিনি হলেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। আনন্দ অনেকভাবেই আসতে পারে জীবনে। কিন্তু মাতৃভূমির পরাধীনতার শৃঙ্খলমুক্তির জন্য প্রাণ উত্সর্গ করা যুদ্ধজয়ের আনন্দের কোনো তুলনা হয়! ৫৫ হাজার বর্গমাইলের এই সবুজ দেশে ৪১ বছর আগে আজকের এই দিনে উদিত হয়েছিল বিজয়ের লাল সূর্য। মুক্তিপাগল বাঙালি পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙ্গে স্বাধীনতার সূর্য ছিনিয়ে এনেছিলো। যে সূর্য কিরণে লেগে ছিল রক্ত দিয়ে অর্জিত বিজয়ের রং।

সেই রক্তের রং সবুজ বাংলায় মিশে তৈরি করেছিল লাল সবুজ পতাকা। সেদিনের সেই সূর্যের আলোয় ছিল নতুন দিনের স্বপ্ন, যে স্বপ্ন অর্জনে অকাতরে প্রাণ দিয়েছিল এ দেশের ৩০ লাখ মানুষ। নয় মাসের জঠর-যন্ত্রণা শেষে এদিন জন্ম নেয় একটি নতুন দেশ, স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ।
বাংলাদেশের এই বিজয় ছিনিয়ে আনতে দীর্ঘ নয় মাস পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে রক্তাক্ত যুদ্ধ করেছে এ দেশের দামাল ছেলেরা। এ যুদ্ধ ছিলো অন্যায়ের বিরুদ্ধে ন্যায়ের জন্য যুদ্ধ, পরাধীনতার বিরুদ্ধে স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ, মায়ের ভাষায় কথা বলার অধিকার আদায়ের জন্য যুদ্ধ। মাতৃভুমির কপালে বিজয়ের লাল টিপ পড়াতে লাখো শহীদ তাদের বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছে, হাজারো মা বোন সম্ভ্রম হারিয়েছেন। আমরা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি লাখ লাখ বীর শহীদের যারা তাদের বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়ে আমাদের জন্য এনে দিয়েছে স্বাধীনতা।
অনেক ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে যে স্বাধীনতা, আমরা পেয়েছি যে বিজয়… সেই বিজয় অর্জনের পথে বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছিলো এদেশেরই কিছু মানুষরূপী নরপশু। বিজয়ের ৪১ বছর পরও সেই নরপশুদের বিচার হয়নি। লাখো শহীদের রক্তে আর মা বোনদের সম্ভ্রমের বিনিময়ে কেনা আমাদের মাতৃভুমি বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধীরা আজও বসবাস করে।

এ লজ্জা আমাদের, এ অপমান আমাদের মায়ের মতো এই বাংলাদেশের।আসুন আজ আমরা শপথ নেই, মুক্তিযোদ্ধাদের রক্তে কেনা লাল-সবুজের বাংলাদেশে কোন যুদ্ধাপরাধীর জায়গা হবে না। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই।
Pages (18)Previous 12345678 Next

Subscribe Us

back-to-top

Most Popular