স্বাগতম স্বপনীল ভুবনে

About

Wellcome To Visit My Website..Thank You..!

Friday, 19 June 2015

এবার যে কোন মানুষ এর সাথে কথা বলুন মেয়ে ছেলে দাদা দাদী সহ সকল প্রকার কণ্ঠে….!

প্রিয় বন্ধুরা,  আপনারা সবাই কেমন আছেন, আশা করি খুব ভাল আছেন এবং আগামি তে যেন সব সময় ভালো থাকেন এই কামনা রইলো।
প্রথমেই বলে রাখি এই ধরনের টিউন যদি এর আগে কেও করে থাকে তাহলে আমাকে ক্ষমা করে দিবেন।
আজকে আমি আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করব এমন একটা সফটওয়্যার যা আপনাদের কজে লাগবে ১০০% সঙ্গে অনেক মজা ও পাবেন।
main-1
অনেকেই আছেন যারা ভয়েস চেঞ্জ করে কথা বলতে চান,আমার মতো কিন্তু কনো ভালো সফটওয়্যার খুজে পাচ্ছেন না বা জানেনা না।
আমি ত আছি আপনাদের সাথে আসলে অনেক কাজে ভয়েস চেঞ্জ করে কথা বলা দরকার হতে পারে, এর মধ্যা সয়তানি করে কথা বলা টা বেশি। তো যারা এমন টা খুজছেন তাদের জন্য আজকে আমি এই সফটওয়্যার টি নিয়ে এসেছি।
এবার দেখুন এর কিছু সুবিধা সমূহঃ
এর মাধ্যমে মে, ছেলে,দাদা দাদী সহ সকল প্রকার কণ্ঠ change করতে পাবেন। কথা গুলো একেবারে স্পষ্ট যেনো সকলে বুঝতে পারে
ইয়াহ, স্কাইপি, MSN সহ সকল প্রকার মেসেঞ্জার সাপোর্ট করে।
সহজ ব্যবহার যোগ্য ও সহজ ভাবে ব্যবহার করা যাবে। উইন্ডোজ ৩২ ও ৬৪ বিট ২ টাতেই সাপোর্ট করে
সেই রকম একটা সফটওয়্যার যা দিয়ে মজা করতে পারবেন আপনি।
AV Voice Changer.Apk টি আপনার পছন্দ হলে নিচ থেকে Download করে নিন।
এন্ড্রয়েড মোবাইল ভার্সনঃ
পিসি ভার্সনঃ
সবাইকে ধন্যবাদ। Sopnilbobun এর সাথেই থাকুন।

Friday, 12 December 2014

মেমোরি কার্ড নষ্ট? আসুন নিজে নিজেই ঠিক করি নষ্ট মেমোরি কার্ড

ফোন যতই দামি হোক না কেন, প্রাণভোমরা কিন্তু মেমোরি কার্ড। উপযুক্ত মেমোরি কার্ড স্পেস না থাকলে হ্যাং করতে পারে দামি ফোনও।
সাধারণত মেমোরি কার্ডের স্পেস হয় ৪ থেকে ৬৪ জিবি। কিন্তু মেমোরি কার্ড নষ্টও হয় আকছার। ফোনের মেমোরি কার্ড হঠাৎ খুলে নেওয়া হলে বা কোনো ভাবে সংযোগ বিছিন্ন হলে সেটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে অকেজো হতে পারে। জেনে নিন কিভাবে নষ্ট হওয়া মেমোরি কার্ড ঠিক করবেন।
কার্ড রিডারে মেমোরি কার্ড ঢুকিয়ে নিয়ে কম্পিউটারে কানেক্ট করুন। খেয়াল রাখুন, হার্ড ড্রাইভের অন্যান্য ডিস্কের মতো মেমোরি কার্ড দেখালেও সেটিতে প্রবেশ করা যাবে না, কিন্তু ফাইল সিস্টেম ঠিক আছে। এবার আপনার উইন্ডোজ এর স্টার্ট মেন্যুতে গিয়ে cmd লিখুন। এতে আপনার স্টার্ট মেনুর উপর দিকে কমান্ড প্রম্পট (cmd) দেখা যাবে। এখন এর ওপর ডান বোতাম চেপে Run as administrator সিলেক্ট করে সেটি খুলুন। কমান্ড প্রম্প্ট চালু হলে এখানে chkdsk mr লিখে enter ক্লিক করুন। এখানে m হচ্ছে মেমোরি কার্ডের ড্রাইভ।
কম্পিউটারে কার্ডের ড্রাইভ দেখতে পেলে এখানে ‘চেক ডিস্ক’ সম্পন্ন হতে দিন। এখানে convert lost chains to files বার্তা এলে y টিপুন। এ ক্ষেত্রে ফাইল যদি ঠিক থাকলে কার্ডের তথ্য আবার ব্যবহার করা যাবে। মেমোরি কার্ড যদি invalid file system দেখায় তাহলে সেটির ড্রাইভের ডান ক্লিক করে Format-এ ক্লিক করুন। File system থেকে FAT নির্বাচন করে Quick format-এর টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে Format-এ ক্লিক করুন। ফরম্যাট সম্পন্ন হলে মেমোরি কার্ডের তথ্য হারালেও কার্ড নষ্ট হবে না।
নানাভাবে এমন অকেজো মেমোরি কার্ড সচল করা গেলেও সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত এবং বাহ্যিকভাবে নষ্ট প্রায় কার্ডকে ঠিক করতে ডেটা রিকভারি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হবে। মেমোরি কার্ডের তথ্য দেখা যাচ্ছে, কিন্তু সেটি ব্যবহার করা না গেলে আপনাকে এই সফটওয়্যার সমাধান দিতে পারে। এ ক্ষেত্রে ডেটা উপস্থিত থাকে কিন্তু কম্পিউটার বা অন্য যন্ত্র সেটিকে ‘রিড’ করতে পারে না।

Sunday, 3 August 2014

উইন্ডোজ ৭ এর লগ ইন স্ক্রীন নিয়ে বিরক্ত, এবার যোগ করুন একটি নতুন স্টাইল


আসসালামুয়ালাইকুম । কেমন আছেন আপ্নারা সবাই ? আশা করি ভাল আছেন । আমি ভাল আছি  । আজকে আপনাদের দেখাব কীভাবে উইন্ডোজ ৭ এর লগ ইন স্ক্রীন চেঞ্জ করতে হয় ।  আমি আপনাদের ব্যাকগ্রাউন্ড এর কথা বলছি না । আমি পুরা স্টাইল এর কথা বলছি ।Capture

কাজে আশা যাক । আমরা সবাই উইন্ডোজ  ব্যবহার করি । আমি উইন্ডোজ ৭ এর পাশাপাশি উইন্ডোজ ৮ ও ব্যবহার করি । উইন্ডোজ ৭ এর একটি সুবিধা হল আপনি ইচ্ছা মতো কাস্টমআইজ করা যায় । এর আগেও একজন এরকম উইন্ডোজ ৭ এর লগইন স্ক্রীন পরিবর্তন এর পোস্ট করেছিল কিন্তু সেই ফাইলটি ছিল ৭০ এমবি ও অনেকের সমস্যা হয়েছে । তাই আজকে আমি আপনাদের এটা সেফ ভাবে ইন্সটল করা শিখাব । প্রথমে এই লিঙ্ক থেকে ফাইল টি ডাউনলোড করে নিন এখানে ক্লিক করুন
এরপর ফাইল এক্সট্রাকট করুন । পাসঃsugata

এরপর যা করণীয়ঃ

  • InstallTakeOwnership.reg নামক ফাইল টি রান করুন এবং ইয়েস দিন।
  • Win7LogonBackgroundChanger.exe খুলুন এবং এই ফোল্ডার টি সিলেক্ট করে Dark_Metro.jpg সিলেক্ট করে অ্যাপ্লাই দিন । একটা এররর দিবে । সমস্যা নাই এই এররর টি আসে । এখন alt+ctrl+del চাপুন আর দেখবেন আপনার ব্যাকগ্রাউন্ড বদলায় গিয়েছে ।
  • এরপর 64bitchecker.exe রান করুন ।
  • যদি ৩২ বিট দেখায় তাহলে Resources ফোল্ডার থেকে x86 এ যান ।
  • যদি 64 বিট দেখায় তাহলে Resources ফোল্ডার থেকে x64 এ যান ।
  • এখানে authui.dll নামে একটি ফাইল পাবেন । এই ফাইল কে কপি করুন ।
  • C:\Windows\System32 এ গিয়ে authui.dll খুজে রাইট ক্লিক করে take ownership দিন । এবার ফাইল টি রিনেম করুনঃauthui.dll.bak(নাম বদলানো যাবে না)
  • এবার আমার দেওয়া authui.dll টি পেস্ট করুন । এবার alt+ctrl+del চাপুন আর দেখবেন আপনার লগইন বদলায় গিয়েছে ।

যদি কিছু না আসে আর কিছুক্ষণ পর একটা কালো স্ক্রীন আসে তাহলে এরকম করুনঃ

উইন্ডোজ ৭ এর ডিস্ক ঢুকান । রিপেয়ার সিলেক্ট করুন command prompt ওপেন করে এই কোড টি লিখুনঃ

cd %windir%\system32
del authui.dll
ren authui.dll.bak authui.dll
বা
নিচের কোড টি দিতে পারেন তবে এটি খুব স্লো
sfc -scannow
যদি উপকৃত হন বা কোন সমস্যা হয় তাহলে কমেন্ট করুন ।
ধন্যবাদ

Wednesday, 16 April 2014

গ্রামীনফোন ফ্রি নেট [ পিসি]

পিসিতে গ্রামীনফোন ফ্রি নেট ব্যবহার করার জন্য আমি  সব শেষ  Simple Server বিষয়ে টিউন করেছিলাম , যা এখনও কাজ করে । কিন্তু Simple Server বর্তমানে বেশ ঝামেলা করে , তাই আজ এই ছোট টিউন টি  করলাম । আশা করি ভাল লাগবে ...।
১। APN- gpwap  দ্বারা মডেম কানেক্ট করুন ।
২। এখান থেকে জিপ ফাইলটি ডাউনলোড করে extract করুন ।
৩। লাল আইকন বিশিষ্ট XT181PP ফাইল ওপেন করুন ।
৪। Listen এ ক্লিক করুন ।
৫। Browser এবং IDM এ proxy- 127.0.0.1  , port- 8080 সেট করুন ।।
এবার গ্রামীনফোনে আনলিমিটেড ফ্রি নেট ব্যবহার করুন ।

Sunday, 10 November 2013

পিসিতে ফ্রি নেট ব্যবহারের সবচেয়ে সহজ , নিরাপদ ও সুবিধাজনক পদ্ধতি ( Gmail , Ymail , Facebook সহ যেকোন সাইটে login )

আসসালামু আলাইকুম । আশা করি সবাই ভাল আছেন । পিসিতে বহু ভাবে ফ্রি নেট চালানো যায় । কিন্তু আমি আপনাদের সবচেয়ে সহজ , নিরাপদ ও সুবিধাজনক পদ্ধতি শেয়ার করলাম ।
১। এখান থেকে Tor browser  download করুন ।
২। যেকোন drive এ এটি extract করুন । Tor browser নামের একটি ফোল্ডার পাবেন ।
৩। ঐ ফোল্ডারে Start Tor Browser নামে একটি ফাইল পাবেন , ফাইলটি ওপেন করুন ।
৪। এবার Vidalia control panel open হবে । setting এ যান ।
৫। এবার network setting থেকে i use  a proxy ........  এ টিক  দিন । address দিন  10.128.1.2    , port দিন  8080 , proxy type দিন HTTP/HTTPS .  ok ক্লিক করে সেভ করুন ।
৬। gpmms setting দ্বারা মডেম কানেক্ট করুন। reconnect ব্যবহার করুন ।
৭। Vidalia control panel থেকে start tor এ ক্লিক করুন । প্রথম বার কানেক্ট হতে কিছু সময় লাগবে । আপনি massage option থেকে log দেখতে পারেন । ১০০ % লোড হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন ।
৮। কানেক্ট হলে automatic browser open হবে । congratulation massage দেখাবে । এবার address বারে
স্বাভাবিক ভাবে যেকোন address  লিখে নেট ব্যবহার করুন ।
Gmail , Ymail , Facebook সহ যেকোন সাইটে login করতে পারবেন । Vidalia control panel কখনও error দেখাবে না বা data connection disconnect হলেও এটি disconnect হবে না ।

পিসিতে গ্রামীণ ফোন ফ্রি নেট , যেকোন ব্রাউজার , IDM সহ – ইচ্ছামত ব্রাউজ ও আনলিমিটেড ডাউনলোড ।

আসসালামু আলাইকুম । আশা করি সবাই ভাল আছেন । Proxifire এ ফ্রি নেট বন্ধ হওয়ার পর আমি ফ্রি নেট বিষয়ে কয়েকটি টিউন করেছিলাম , যেখানে Handler ব্যবহার করা হয়েছিল । সেটা এখনও কাজ করে কিন্তু মজা নেই । সর্বশেষ টিউন করার পর আমি কারও কোন কমেন্ট/ প্রস্নের জবাব দিইনি । কারন আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম আপনাদের জন্য ফ্রি নেটের ভাল কোন ব্যবস্থা করার পর আমি ফিরে আসব । আজ সেই দিন । আমাকে সবাই ক্ষমা করবেন । আজ আপনাদের যে পদ্ধতি দেব তা খুব সহজ । স্পীড খুব ভাল পাবেন । যেকোন ব্রাউজার এ  IDM  সহ - ইচ্ছামত ব্রাউজ ও ডাউনলোড করতে পারবেন । যারা Proxifire ব্যবহার করতেন তারা নিশ্চয় বুঝতে পারছেন । যাহোক -
১। এখান থেকে ISPCE PORTABLE.rar ফাইলটি ডাউনলোড করুন ।
২। এখান থেকে config ফাইল ডাউনলোড করুন । ফাইলটি Desktop বাদে অন্য কোন ড্রাইভে রাখুন ।
৩। এবার gpmms দ্বারা মডেম কানেক্ট করুন ।   Redial চালু করুন যেন ৩ মিনিট পর পর অটো কানেক্ট হয় ।
৪।  ISPCE ওপেন করুন । File থেকে Load config File এ ক্লিক করুন ।
৫। এবার পূর্বে ডাউনলোডকৃত config File টি

Wednesday, 16 October 2013

ধর্ম যার যার, উত্সব সবার, এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সবার ঈদ হউক অনাবিল আনন্দের।

ধর্ম যার যার, উত্সব সবার, এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সবার ঈদ হউক অনাবিল আনন্দের। ধর্ম বর্ণ গোত্র নির্বিশেষে ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে পড়ুক সবার মাঝে। সবাইকে ঈদের অনেক অনেক শুভেচ্ছা, ঈদ মোবারক। ঈদ মোবারক ও শুভেচ্ছা আমার সকল User, মডারেটর,  ও পাঠকগণকে।


এমন উত্সবের দিন্ আমরা সবাই নিশ্চয় উত্সবে মাতোয়ারা হবো, কিন্তু তার আগে আমরা যেন কিছুতেই ভুলে না যাই পাশের বাড়ির অসহায় বৃদ্ধা বিধবার কথা, সহায় সম্ভবহীন পুত্রকন্যা পরিজনহীন ( অথবা আত্মীয় স্বজন দ্বারা অবেহলিত, উপেক্ষিত) বৃদ্ধের কথা, ইয়াতিম গরীব শিশু কিশোর/কিশোরীর কথা, পঙ্গু অসহায় প্রতিবন্ধীর কথা, গরীব আত্মীয় স্বজনের কথা। 

আমরা যেন অন্তত এইটুকু ভাবি যে, আমার যেমন আনন্দ উল্লাস করতে ভালো লাগে, ঠিক একই অনুভূতি সবার মাঝেই বিরাজ করে। কিন্তু সামর্থের জন্যে অনেকে সেটা উপভোগ করতে পারে না। আমার ছেলেমেয়ের যেমন নতুন জামাকাপড় পরতে ভালো লাগে, প্রতিবেশি অন্ধ লোকটির ছেলেমেয়েরও পরতে ইচ্ছে করে। আমরা যারা মা বাবা থেকে দূরে আছি, তারা যেন কিছুতেই মা বাবা-র কথা ভুলে না যাই। আমার সন্তান দৌড়ে এসে যখন আমাকে বাবা/মা বলে ডাকে তখন গর্বে আমার বুকটা যেভাবে ভরে যায়, ঠিক একই কথা আমার বাবা/মা-র ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। তারাও আমাদের জন্যে আশায় বুক বেধে রাখেন, সন্তানের সাথে বসে দুই বেলা খাবার খাওয়ার অধিকার তাদেরও আছে। 

সর্বোপরি, দুঃখ কষ্ট গ্লানি এসব চেপে রাখাই শ্রেয় কিন্তু আনন্দ, আনন্দ বিলিয়ে দেওয়ার মধ্যেও আরো উচ্চতর ভিন্নতর আনন্দ আছে। আপন পর সবার মাঝে আনন্দ ভাগ করলে আনন্দ আরো বহুগুনে বেড়ে যায়। আমাদের সবার আনন্দ হউক সীমাহীন ও সর্বজনিন। যে কোনো ঠুন্ক বাধন ছিড়ে বেরিয়ে এসে আমরা যেন মানুষত্বকেই আপনা করতে পারি সবচেয়ে বেশি। আবারো ঈদ মোবারক। ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে পড়ুক সমস্ত বাংলাদেশে, সকলের মনে ও প্রাণে।



=====================================00======================================

Sunday, 22 September 2013

ধর্ষণ করে একজনে বা কয়েকজনে, আর ধর্ষণ উপভোগ করে সমগ্র জাতি।

ধর্ষণ করে একজনে বা কয়েকজনে, আর ধর্ষণ উপভোগ করে সমগ্র জাতি। শুধু পুরুষরা নয়- জাতির মেয়েরা, মহিলারা এবং সাদা চুলের থুত্থুরে বুড়িরা। ধর্ষক বুক ফুলিয়ে, কলার উঁচু করে বীরের বেশে এলাকায় ঘুরে বেড়ায় আর ধর্ষিতার স্থান হয় নির্জন ঘরের কোনে- যদি সে বেচে থাকে!
শারীরিক ধর্ষণের পরে শুরু হয় মানসিক ধর্ষণ। পত্রিকার পাতায়, কলামে কলামে, থানায় পুলিশের ডাইরিতে, আদালতে অসভ্য উকিলের আপত্তিকর জেরায়। দিনের পর দিন সে ধর্ষিত হতে থাকে পাড়ার বুড়োদের চায়ের আড্ডায়, বুড়ি এবং ছুড়িদের মুখে মুখে কিংবা কে এফ সিতে- পিঁজা হাটে বান্ধবীর জন্মদিনে অথবা পাড়াতো বোনের বিয়ের অনুষ্ঠানে। ধর্ষক রাস্তার পাশের চায়ের দোকানে দাঁড়িয়ে আড্ডা দেয়। রসিয়ে রসিয়ে ধর্ষণের বর্ণনা করে, মেয়েটা কেমন স্বাদের ছিল- কেমন করে বাধা দিয়েছিল এবং সে কেমন ধরনের আসল পুরুষ(!) সবিস্তারে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে সেই গল্প করে। একটা অসহায় মেয়ের শরীর তখন সমাজের সবার ভোগে লেগে যায়। মোবাইল থেকে মোবাইলে ভিডিও ঘুরতে থাকে। পত্রিকার সম্পাদক রসিয়ে রসিয়ে ধর্ষণের ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ বর্ণনা দেন। সেখানে ধর্ষিতার বয়স উল্লেখ থাকে, স্কুল কলেজের পরিচয় উল্লেখ থাকে, থাকে না শুধু ধর্ষকের একটা স্পষ্ট ফটো কিংবা ভাল করে পরিচয়। এক ফাকে টুপ করে ঢুকিয়ে দেয়া হয় কোন ওয়েবসাইটে সেই ভিডিওর খোজ পাওয়া যাবে সেই খবর।
সেই গল্প শুনে, ভিডিও দেখে সারাদেশের আরো অনেক পটেনশিয়াল ধর্ষকের পুরুষত্ব জেগে ওঠে। না আর থাকা যায় না, এইবার একটা ডাঁসা মাল চাই! তাদের ঠোটের দুই কোন দিয়ে এবং অন্য অনেক জায়গা নিয়ে কুৎসিত লালা ঝরে। অশ্লীল চোখগুলো ক্রমাগত ঘুরে ফিরে যায় রাস্তা দিয়ে চলন্ত স্কুলগামী ছাত্রীর দিকে, পুকুরে গোসল-রত কিশোরীর দিকে কিংবা বাসে হ্যান্ডেল ধরে দাঁড়িয়ে থাকা মাঝবয়েসী মহিলার দিকে। শুধু একটা সুযোগ দরকার তার!
আর সেই মেয়েটি?
তাকে আস্তে করে ঝুলে পড়তে হয় গলার সাথে দড়ি বেধে। এ সমাজ তাকে জোর করে সেদিকে ঠেলে দেয়। বেচে থাকতে বাবা তাকে বকে, মা তাকে অবজ্ঞা করে, ভাই-বোন করে ঘৃণা। পাড়া প্রতিবেশী দিনের পর দিন তার চরিত্রের কলুষতা এবং পঙ্কিলতা নিয়ে খোটা দেয়। সবাই মিলে ধর্ষিত মেয়েটার জীবনটাকে একটা বিভীষিকা বানিয়ে দেয়। স্কুলের স্যার তাকে অশ্লীল ইংগিত করে, বান্ধবীরা সংগ পরিত্যাগ করে। সবার চোখে, মুখে, আচার- আচরণে, কথায় এবং কাজে একটাই ইংগিত থাকে- ” তুই ধর্ষিতা, তুই পতিতা, তুই চরিত্রহীনা- তুই মর। ”
ধর্ষক এরকম আরো অনেক অনেক প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য ধর্ষণ শেষে সানাই বাজিয়ে বিয়ে করে নিয়ে আসে। মেয়ের বাবা আনন্দের সাথে মেয়ে বিয়ে দিয়ে তৃপ্তির ঢেকুর তোলে। শুধু ধর্ষিতা মেয়েটিকে বিয়ে দেবার জন্যে কোন ছেলে পাওয়া যায় না।
দিনের পর দিন এই বিষ কিশোর মস্তিষ্কে ঢুকেছে। আমার ওটা আছে বলে ধর্ষণ করা একটা কনজেনিটাল রাইট আমি নিয়ে এসেছি এই ভেবে পুলকিত হয়েছি।
একটা মেয়ের জন্যে কেউ নিরাপদ না। শিক্ষক, সহপাঠী, বন্ধু, বয়-ফ্রেন্ড, এলাকার ছেলে, আত্মীয়- পুরুষ, চাচা-মামা-খালু, দুলাভাই এমনকি ক্ষেত্র বিশেষ নিজের বাপ-ভাই ও না। কর্মক্ষেত্রে কলিগ, অফিসের বস- সুযোগ পেলেই মিষ্টি হাসি ঝেড়ে ধর্ষকের রূপ ধরতে মুহূর্ত দেরি করেন না। বাসের হেল্পার, ক্যান্টিনবয়, হাসপাতালের ঝাড়ুদার, বাসার দারোয়ান কিংবা অফিসের পিয়ন- ওটার ব্যবহারে কেউ কারো চেয়ে পিছিয়ে থাকতে রাজী নয়।
ধর্ষিতার পক্ষে কেউ থাকে না। ধর্ষকের পক্ষে সবাই।
প্রশাসন, মিডিয়া, সমাজ কিংবা রাষ্ট্র একযোগে কাজ করে ধর্ষককে বাঁচানোর জন্যে। তার বিরুদ্ধে মামলা নেয়া হয় না। থানার ওসির সাথে প্রতিদিন তার মোলাকাত হলেও গ্রেফতারের জন্যে তাকে খুঁজে পাওয়া যায় না। বাই এনি চান্স গ্রেফতার হলেও বড়- ছোট এবং মাঝারি পাল্লার সুপারিশের ধমকে কয়েক ঘন্টার বেশি তাকে হাজতে থাকতে হয় না। হাজত থেকে বেরিয়ে এসে ধর্ষিতার পরিবারকে ক্রমাগত হুমকি দেয়া চলতে থাকে যাতে মামলা তুলে নেয়া হয়। এমনকি ধর্ষণের মামলা থেকে জামিনে ছাড়া পেয়ে ফিরে এসে সেই মেয়েকে তার ছোটবোনসহ পুনরায় ধর্ষণের ঘটনাও এই দেশে ঘটেছে।
নিউমার্কেটে দিনে দুপুর বেলায় ঢাকার এক বিখ্যাত কলেজের পরিচয়ধারী এক ছেলে একটা মেয়েকে চড় মারে। কারন হলো মেয়েটা ছেলেটাকে স্টুপিড বলেছে। কেন স্টুপিড বলেছে তার কারন হলো ছেলেটা ভিড়ের সুযোগে মেয়েটাকে ধাক্কা মেরেছে এবং শরীরে হাত দিয়েছে। কিন্তু উপস্থিত জনতা ছেলেটাকেই সাপোর্ট করে এবং একটা বখাটের হাতে শারীরিক ভাবে নিগৃহীত হয়ে, থাপ্পড় খেয়েও মেয়েটা স্যরি বলতে বাধ্য হয়। আমার যে ফ্রেন্ডটা ওখানে ছিল তার ভাষায় ছেলেটা অমুক কলেজের। কে তার সাথে লাগতে যাবে?
হাজার খানেক মানুষ এক বখাটের ভয়ে থরহরি কম্পমান। এই না হলে বীর বাঙ্গালী- অস্ত্র ধরেই যারা দেশ স্বাধীন করে ফেলেছে। তারপর সেই অস্ত্র অতল দরিয়ায় নিক্ষেপ করেছে। শত অন্যায়েও এখন তার গলায় স্বর বের হয় না।
ঘেটুপুত্র কমলা ম্যুভিটিতে হুমায়ুন আহমেদ একটা চমৎকার উপমায় আমাদের মানসিকতা ফুটিয়ে তুলেছেন। জমিদারের টাকা আছে সে ঘেটুপুত্র রাখে। কিন্তু তার ঘোড়ার দেখাশোনার জন্যে যে লোক তার টাকা নেই বলে সে ঘেঁটু রাখতে পারে না। কিন্তু ঘেটুছেলের দিকে সেও লোভী নজর দেয়। মনে মনে স্বগতোক্তি করে টাকা হলে সেও ঘেঁটু রাখবে।
আমরা একটা ধর্ষক জাতি। একটা অসভ্য এবং বর্বর জাতি। এই দেশে ভার্সিটিতে ছাত্রনেতারা প্রকাশ্যে ক্লাসমেট, জুনিয়র কিংবা সিনিয়র মেয়েদের ধর্ষণ করে। কেক কেটে ধর্ষণের সেঞ্চুরি পালন করে। এক অপ্রকাশিত নেতার কাহিনী শুনেছিলাম। মেয়েরা তার কাছে ধর্ষিত হতে আসতো। কারন সে যাকে টার্গেট করতো তাকে ধর্ষিত হতেই হতো অথবা ভার্সিটির পড়াই বাদ দিয়ে দিতে হতো। তারচেয়ে চুপে চুপে একবার তার কাছে এসে ধর্ষিত হওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ ছিল, অন্তত লোক-জানাজানি হতো না তাতে। মেয়েরা কার কাছে বিচার চাইবে? শিক্ষকের কাছে? তারাই তো রুমে ডেকে নিয়ে ছাত্রী ধর্ষণে লিপ্ত। মন্ত্রীদের কাছে? এই দেশের কলেজের মেয়েদের তো তাদের কাছে উপঢৌকন হিসেবেই পাঠানো হয়। শরীরের বিনিময়ে মিলে পার্টিতে পদ কিংবা হলে সিট।
পুরুষতান্ত্রিকে এই সমাজে অধিকাংশ পুরুষের ভেতরে একটা করে ধর্ষক লুকিয়ে আছে। সময় এবং সুযোগে কারোটা বেরিয়ে আসে। অনেকের সে সুযোগ মেলে না। তার ধর্ষণ হয় পরোক্ষ। সে যে কাউকে ধর্ষণ করে নি, সে জন্যে শুধু পর্যাপ্ত সময় ও সুযোগের অভাবই দায়ী। তার কোন ভাল মানুষী না
উন্নত দেশেও ধর্ষণ হয়, অপরাধ হয়। তবে সে দেশে অপরাধের অন্তত বিচার হয়। আমাদের দেশেও অপরাধ হয়- অপরাধী রাজার হালে বুক ফুলিয়ে ঘোরে। কোন বিচার হয় না। উলটো ক্ষেত্র-বিশেষে পুরস্কার জোটে। এটাই তাদের সাথে আমাদের পার্থক্য।
এই লেখাটা লিখতে আমার দুইদিন সময় লাগছে। প্রচুর ভাবতে হয়েছে। কষ্ট করে টাইপ করতে হয়েছে। সময়টার বৃথা ব্যবহার, পৌরুষের নিদারুণ অপচয়। এরচেয়ে একটা ধর্ষণ করে ফেলা এই দেশে অনেক সহজ। ইচ্ছে হলো, টার্গেট করলাম, করে ফেললাম। সাথে বোনাস হিসেবে খ্যাতিটাও জুটত।
একটা এড ছিল-” টাকা রি-চার্জ যখন এতো সহজ- কথা বলবে না কেন?”
একটু মডিফাই করে বলতে পারি- “ধর্ষণ যখন এত সহজ, করবে না কেন?”

বহুত পুরাতন জিনিস। তাও বলি-
অন্যায় যে করে আর অন্যায় যে সহে
তব ঘৃণা তারে যেন তৃণ সম দহে।
উৎসর্গঃ সেই আপুটাকে, যেই আপুটি, আমার  Daudkandi থানায় কাজের বুয়া হয়েও রক্ষা পায় নি…যার বয়স ছিল মাত্র ১২ বছর…




====================================00========================================

Thursday, 18 July 2013

জেনে নিন আরো কিছু তথ্য

এছাড়াও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ টিপস :ক। আপনার কম্পিউটার এর স্পিড বাড়াতে আপনার রেম খালি করে রাখার চেষ্টা করবেনখ। হার্ড ডিস্ক এ অপরিচিত কোনো সফটয়ার  রাখবেন নাগ। এন্টিভাইরাস আপডেট রাখুন ৩ দিন পর পরঘ। হার্ড ডিস্ক এর সকল ড্রাইভ স্ক্যান  করে ভাইরাস ক্লিন করুন প্রতি সপ্তাহে  অন্তত ১দিনঙ। পেন ড্রাইভ স্ক্যান না করে ওপেন করবেন না  এবং  ডাবল ক্লিক দেয়া থেকে বিরত  থাকবেনচ। প্রতিদিন কাজ শেষে অতিরিক্ত সকল ফাইল মুছে ফেলুনছ। ভার্চুয়াল মেমরি বাড়িয়ে রাখুন আপনার মেমরির দিগুনস্টার্ট মেনুতে গিয়ে রান এ গিয়ে ১টি ১টি করে লিখুন আর এন্টার দিনPrefetch, Temp, %Temp%, Recent, Cookiesতারপর সব ফাইল ডিলিট  করুন  

  1. gpedit.msc>
  2. msconfig>কম্পিউটার স্টার্টাপ অপশন এডিট করতে
  3. dxdiag> কম্পিউটার এর কনফিগারেশন দেখতে
  4. regedit>কম্পিউটার এর রেজিস্ট্রি এডিটর দেখতে
  5. mmc>কম্পিউটার মেনেজমেন্ট কনসোল  দেখতে


Pages (18)Previous 12345678 Next

Subscribe Us

back-to-top

Most Popular